Mukul Chowdhury: 'ভাবিস না, মার...' পন্তের টিপসেই হারা ম্যাচ যেভাবে জেতালেন মুকুল

২১ বছর বয়সী মুকুল চৌধুরীর বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে বড় জয় পেয়েছে লখনউ সুপার জায়েন্ট। কীভাবে এই নতুন তারকা বাজিমাত করলেন? ঋষভ পন্তের একটা পরামর্শ বদলে দিল গোটা ম্যাচের চেহারা। ১৬ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৮ রান করে ধুঁকছিল লখনউ। আর সেই সময়ই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন রাজস্থানের এই তারকা। 

Advertisement
'ভাবিস না, মার...' পন্তের টিপসেই হারা ম্যাচ যেভাবে জেতালেন মুকুল ঋষভ পান্ত ও মুকুল চৌধুরী

২১ বছর বয়সী মুকুল চৌধুরীর বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে বড় জয় পেয়েছে লখনউ সুপার জায়েন্ট। কীভাবে এই নতুন তারকা বাজিমাত করলেন? ঋষভ পন্তের একটা পরামর্শ বদলে দিল গোটা ম্যাচের চেহারা। ১৬ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৮ রান করে ধুঁকছিল লখনউ। আর সেই সময়ই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন রাজস্থানের এই তারকা। 

পন্তের একটা পরামর্শ তাঁর চিন্তাভাবনা বদলে দিয়েছে। তিনি বলেন, 'আমি আগে তাড়াহুড়ো করতাম, কিন্তু এখন আমি আর সেটা করি না। শেষ ইনিংসে আমি মাত্র ৪-৫টি বল খেলতে পারছিলাম, তাই আমি পান্ত ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলি। ভাইয়া বলে, বেশি চিন্তা কোরো না, বল দেখো আর মারো। বেশি ভাবলে চাপ বাড়বে। আর এই পরামর্শটাই ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট।'

যখন একের পর এক উইকেট পড়ছিল, মুকুল ধৈর্য ধরে টিকে ছিলেন। সুযোগ খুঁজছিলেন হাত খোলার তিনি বলেন, 'যখন আয়ুষ ভাইয়া আউট হওয়ার পর আমার মনে হল, এবার দায়িত্ব আমাকেই নিতে হবে। আমি শুধু ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছিলাম, হারা-জেতার কথা মাথা থেকে বের করে দিয়েছিলাম। এই ভাবনাটাই আমাকে শেষ পর্যন্ত চালিয়ে নিয়ে গিয়েছে এবং অবশেষে আমিই ম্যাচটা শেষ করেছি।'

শেষ ওভারে ১৪ রানের প্রয়োজন ছিল এবং চার বলে মাত্র ৭ রান বাকি থাকা সত্ত্বেও মুকুল আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বলেন, 'আমি জানতাম বোলার একটি বল লুস দেবে করবে। আমাকে ওই বলটি ছক্কা মারতেই হতো। প্রথম দুই বল ডট ছিল, কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে একটা সুযোগ ঠিক পাব। আর ঠিক সেটাই হয়েছিল: একটা ভুল, আর ম্যাচ শেষ।'

মুকুল স্বীকার করে নিয়েছেন সবার উপরেই চাপ থাকে। মুকুলও সেই চাপ অবনুভব করছিলেন বলে জানিয়েছেন। ম্যাচ শেষে নতুন তারকা বলেন, 'নতুন বা অভিজ্ঞ, প্রত্যেক খেলোয়াড়ই চাপ অনুভব করে। এটা আমার প্রথম মরসুম। অনুশীলন ম্যাচেও চাপ থাকে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করার পরেই এখানে সুযোগ আসে। তবে এটা নিজের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করারও একটা সুযোগ।' 

Advertisement

বাবা দলিপ কুমার চৌধুরীকে এই ইনিংস উৎসর্গ করেছেন মুকুল। তাঁর স্বপ্ন ছিল ছেলে ক্রিকেট খেলবে। তিনি আরও জানান যে তিনি ছোটবেলা থেকেই এমএস ধোনিকে অনুসরণ করে আসছেন। মুকুল বলেন, 'আমি একই পজিশনে ব্যাট করি এবং ধোনি স্যারকে দেখে শিখেছি কীভাবে ম্যাচ শেষ করতে হয়। এই ইনিংসটিও আমি তাঁকে উৎসর্গ করছি।'

POST A COMMENT
Advertisement