বিরাট কোহলি ও ফিল সল্টবিরাট কোহলি ও ফিল সল্টের বিস্ফোরক ওপেনিং জুটির পর রেকর্ড গড়ে ফেলল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ৫০ রান বিরাটের, ফিল সল্ট করলেন ৭৮ রান। ২৪০ রানের ইনিংস খেলে ফেলল আরসিবি। তবে শুধু বিরাট বা সল্ট নন, দারুণ ইনিংস খেলেছেন রজত পাতিদারও। ১৭ বলে হাঁফ সেঞ্চুরির সুবাদে খেলার গতিকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দেন। যে ইনিংসে ছিল বেশ কিছু চোখধাঁধানো শট।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আরসিবি-র ইনিংসের সূচনা করেন বিরাট কোহলি ও ফিল সল্ট। এই জুটি একেবারে প্রথম বল থেকেই আগ্রাসী ইনিংস শুরু করেন এবং পাওয়ারপ্লে-তে (ছয় ওভার) কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭১ রান তোলেন। তবে, তারা খেলা চালিয়ে যান এবং ১০ ওভারে ১১৫ রান সংগ্রহ করেন। ১১তম ওভারে শার্দুল ঠাকুরের বলে ফিল সল্ট আউট হলে আরসিবি প্রথম ধাক্কা খায়। সল্ট ৩৬ বলে ৭৮ রান করেন। তবে, এরপর রজত পাটিদার একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেন।
আরসিবি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ২৪০ রান করে। মনে করা হচ্ছে, টসে হেরে আসলে লাভই হয়েছে আরসিবি-র। ওয়াংখেড়েতে এটাই সবচেয়ে বড় স্কোর। রোহিতরা কি পারবেন বিরাটদের রেকর্ডকে টপকে যেতে? সেটাই প্রশ্ন।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (প্লেয়িং ইলেভেন): রোহিত শর্মা, রায়ান রিকেল্টন, সূর্যকুমার যাদব, তিলক ভার্মা, হার্দিক পাণ্ডিয়া (অধিনায়ক), নমন ধীর, মিচেল স্যান্টনার, শার্দুল ঠাকুর, ট্রেন্ট বোল্ট, মায়াঙ্ক মার্কন্ডে, জাসপ্রীত বুমরা।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর (প্লেয়িং ১১): ফিল সল্ট, বিরাট কোহলি, দেবদত্ত পাডিক্কল, রজত পাতিদার (অধিনায়ক), টিম ডেভিড, জিতেশ শর্মা, রোমারিও শেফার্ড, ক্রুনাল পান্ডিয়া, ভুবনেশ্বর কুমার, জ্যাকব ডাফি, সুয়াশ শর্মা।