রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জ্যাকব ডাফি গোটা টি২০ বিশ্বকাপে সাকুল্যে পেয়েছিলেন ৩ উইকেট। আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে আইপিএল-এর প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই তিন উইকেট তাঁর ঝুলিতে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পাওয়ার প্লেতেই অভিষেক শর্মা, ট্রাভিস হেডের পর নীতিশ কুমার রেড্ডির মতো ব্যাটারকে ডাগ আউটে পাঠানো মুখের কথা নয়। আর সেই কাজটাই করে ফেললেন ডাফি।
নিউজিল্যান্ডের এই ক্রিকেটার মূলত শর্ট অফ লেংথ ব্যবহার করে বাজিমাত করে যান। তিনি এতটাই ভয়ঙ্কর বল করছিলেন, যে তাঁকে দিয়ে একটানা চার ওভার বল করিয়ে দেন ক্যাপ্টেন রজত পাতিদার। ৪ ওভার বল করানোর পরেই তাঁর জায়গায় ইমপ্যাক্ট ক্রিকেটার হিসেবে রোমারিও শেফার্ডকে নেওয়া হয়। মনে রাখতে হবে দলে নেই জস হ্যাজেলউড। তাঁর জায়গায়তেই ডাফির উপর ভরসা রাখে আরসিবি। সেই ভরসার দাম দিতে পেরেছেন তিনি।
কীভাবে আউট হলেন অভিষেক?
অফ স্টাম্পের ঠিক বাইরে ১৩৩ কিমি গতির ব্যাক অফ লেংথ বল, ক্রিজে ছিলেন অভিষেক, পুল করার চেষ্টা করছিলেন। বল ব্যাটে লাগতেই ব্যাটের মুখ খুলে যায় এবং তিনি স্লাইস করে বলটি পেছনে পাঠিয়ে দিলেন। তার ফর্মহীনতা চলতেই থাকল।
একই ওভারে আউট হেড
অফ স্টাম্পের ঠিক বাইরে ১৩৬ কিমি গতির ব্যাক অফ লেংথ বল, হেড সজোরে এবং ফ্ল্যাটভাবে পুল করেন। সল্ট বুকের চারপাশে দুই হাত দিয়ে ক্যাচটি ধরলেন এবং গতির কারণে পেছনে পড়ে গেলেও ক্যাচটি ধরে ফেলেন।
একইভাবে আউট নীতিশও
শরীর লক্ষ্য করে ১৩৪ কিমি গতির ব্যাক অফ লেংথ বল, পেটের উচ্চতায় উঠেছিল, নীতিশের পা ক্রিজে ছিল যখন তিনি পুল করার চেষ্টা করেন। বলটি অনেক দূর পর্যন্ত উপরে ছিল, মিড উইকেট এগিয়ে এসে একটি সহজ ক্যাচ নিতেই শেষ হয় তাঁর ইনিংস।