মুকুল চৌধুরী ও সঞ্জীব গোয়েঙ্কাদল হারলে তিনি রেগে যান। প্লেয়ারদের বকাবকিও করেন বলে অভিযোগ। আবার ম্যাচ জিতলে তিনিই কেঁদে ফেলেন। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। আর বৃহস্পতিবার ইডেনে ভাইরাল হল আরও একটা ভিডিও। যেখানে দেখা গেল লখনউ সুপার জায়েন্ট কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা কাছে টেনে নিচ্ছেন ম্যাচ জেতানো মুকুল চৌধুরীকে।
কিছুদিন আগেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে হারের পর, গোয়েঙ্কাকে দেখা গিয়েছিল, পন্তের সঙ্গে কথা বলতে। তা নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। অনেকেই মনে করেছিলেন, পন্তকে অপমান করা হচ্ছে। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। তবে বৃহস্পতিবার ইডেনে কলকাতাকে হারানর পর দেখা যায় ম্যাচ জেতানো মুকুলকে আদর করে দেন দলের কর্ণধার। যা দেখে বিস্মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা।
কী করলেন গোয়েঙ্কা?
ইডেন গার্ডেন্সে কেকেআরের বিপক্ষে রান তাড়া করতে নেমে ম্যাচটি প্রায় নাগালের বাইরে চলে গিয়েছিল, কিন্তু ২১ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় সাতটি ছক্কা হাঁকিয়ে ২৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে এলএসজিকে এক রোমাঞ্চকর তিন উইকেটের জয় এনে দেন। এটি ছিল এই মৌসুমে এলএসজির দ্বিতীয় জয়। এই ম্যাচ চলাকালীন, যখন ম্যাচটি শেষের দিকে ছিল এবং শেষ ওভারে মুকুল একটি ছক্কা মারেন, তখন লখনউ সুপার জায়ান্টস দলের মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা নিজেকে সামলাতে না পেরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
আবেগে ভাসলেন গোয়েঙ্কা
ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই লখনউ সুপার জায়ান্টসের মালিক ডঃ সঞ্জীব গোয়েঙ্কা নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি গ্যালারি থেকে সোজা মাঠে ছুটে গেলেন। ম্যাচ চলাকালীন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা সস্নেহে মুকুলের গালে হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন, তার কাঁধে হাত রেখে তাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন।
এদিকে, সঞ্জীব গোয়েঙ্কা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করে লিখেছেন, 'মুকুল এবং আয়ুশ আজ অসাধারণ খেলেছে। পান্তের অধিনায়কত্বও ছিল দুর্দান্ত। শুধু বড় সুযোগ পেলেই ম্যাচ জেতা যায় না, বরং ছোট ছোট মুহূর্তগুলোকে কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়েই জেতা যায়। দল আজ ঠিক সেটাই করেছে। আমি দলের জন্য গর্বিত এবং ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়েছি। আমি আমার এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছি।'
কলকাতার মাটিতে এই জয় গোয়েঙ্কার কাছে খুব স্পেশাল। কারণ এই শহর তাঁরও। আর সে কারণেই মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। এমন জয়ের ফলে তিনি যে দারুণ খুশি তা বোঝাই গেল এদিন।