
রিঙ্কু সিং, খচন্দ্র সিংশেষ হল দীর্ঘ লড়াই। টি২০ বিশ্বকাপের মাঝেই প্রয়াত রিঙ্কু সিং-এর বাবা। লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন রিঙ্কুর বাবা খানচন্দ্র সিং। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। তাঁকে গ্রেটার নয়ডার ইয়াথার্থ হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল এবং মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। তিনি ক্রমাগত রেনাল রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি নিচ্ছিলেন।
বাবার স্বাস্থ্যের অবনতির খবর পেয়ে রিঙ্কু টুর্নামেন্ট ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন। দলের ক্যাম্প ছেড়ে চেন্নাই থেকে দিল্লিতে যান, যেখানে তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে চলে আসেন। তবে, জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে খেলার জন্য বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) তিনি আবার দলের সঙ্গে যোগ দেন। পারিবারিক শোকের কারণে, রিঙ্কু জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে চেন্নাই টি-টোয়েন্টি খেলতে পারেননি এবং আসন্ন ম্যাচগুলিতে তার অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে তার খেলা থেকে বাদ পড়ার পর, তার জায়গায় সঞ্জু স্যামসনকে দলে নেওয়া হয়। ওয়াশিংটন সুন্দরের জায়গায় অক্ষর প্যাটেল দলে ফিরে আসেন। তবে, জিম্বাবোয়ের ম্যাচে তাঁকে ফিল্ডিং করতে দেখা গেছে।

রিঙ্কু সিং কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন
ব্যক্তিগত এবং পেশাগত উভয় দিক থেকেই রিঙ্কু সিং-এর জন্য এই সময়টা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। সাম্প্রতিক ম্যাচগুলিতেও তার পারফর্মেন্স আশানুরূপ ছিল না। এইটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, রিঙ্কু সিং টিম ইন্ডিয়ার হয়ে জিম্বাবোয়ের ম্যাচগুলিতে অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু তার ব্যাটিং অর্ডার কম থাকার কারণে তিনি খুব বেশি বল খেলতে পারেননি।
আমেরিকা এবং নামিবিয়ার বিপক্ষে তিনি একক অঙ্কের রানে আউট হন। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি দ্রুত ক্যামিও করেছিলেন, ৪ বলে অপরাজিত ১১ রান করেছিলেন। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিনি ৩ বলে ৬ রান যোগ করেছিলেন, যদিও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাত্র দুটি বল খেলার পর তিনি নিজের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন। রিঙ্কু পাঁচ ইনিংসে ২৯ বলে মাত্র ২৪ রান করেছিলেন।
তবে এবারের বিশ্বকাপে আর রিঙ্কুকে খেলতে দেখা যাবে কিনা সেটা বলা বেশ মুশকিল। কারণ, স্বাভাবিক ভাবেই, তিনি তাঁর বাবার শেষকৃত্যে যোগ দেবেন। এরপর কবে বতিনি ফিরতে পারেন সেটাই দেখার।