সুনীল গাভাস্কারের পাশাপাশি সঞ্জু স্যামসন এবং জিতেশ শর্মাপ্রথম চার ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর সঞ্জু স্যামসনের একমাত্র আশা ছিল ঘরের মাঠে তিরুবনন্তপুরমের ম্যাচ। তিনি তাতেও ব্যর্থ। সঞ্জু স্যামসনের খালি হাতে ফেরা তাঁর বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনায় জল ঢেলে দিল বলে মনে হচ্ছে অনেকের। যার মধ্যে সুনীল গাভাসকরও রয়েছেন। তিনি বলেছেন, সঞ্জকে অনেক সুযোগ দেওয়ার পরও ব্যর্থ হয়েছে।
সানি স্টার স্পোর্টসকে বলেছেন, নির্বাচকরা সঞ্জকে সবরকম সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু ঈশান কিশান এখানে যে ব্যাটিং করেছে আর তিলক ভার্মা ফিরে এলে ব্যাটিং অর্ডার মোটামুটি পরিষ্কারই হয়ে যাবে। যার অর্থ, সঞ্জকে খেলানোর জায়গা পাওয়া যাবে না। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ইনিংসে কেরলের ক্রিকেটার ৪৬ রান করেছেন। তিনি বিশ্বকাপ দলে আছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল সঞ্জুর প্রথম একাদশে থাকা নিয়ে।
গাভাসকর বলেছেন, ';সঞ্জকে বাদ দেওয়া সত্যিই কঠিন। কিন্তু কার জন্য বাদ দিতে হবে? তিলক ভার্মা এই পর্যায়ে নিজেকে প্রমাণ করেছে। সঞ্জ ভাল ক্রিকেটার। নিজেকে আগে প্রমাণও করেছে। কিন্তু এখন ফর্মে নেই। আর বিশ্বকাপ হল এমন টুর্নামেন্ট যেখানে ঝুঁকি নেওয়া যায় না। এই সিরিজে ওর সর্বোচ্চ রান ২৪। আউটও হয়েছে খুব খারাপভাবে। ও তাঁর মানে আত্মবিশ্বাসের অভাব ভুগছে। তিলক ফিট ঘোষিত হয় গেলে ৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সঞ্জুকে প্রথম এগারোয় দেখছি না।'
আগের চারটি ম্যাচে সঞ্জু স্যামসন ভারতের উইকেট কিপার ছিলেন। তবে গোটা সিরিজে রান না হওয়ায় এই পরিবর্তন কি রোটেশনের কারণে নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে, ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদিক সম্মেলনে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমস্ত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন।
অধিনায়ক সূর্য কারণ ব্যাখ্যা করেছেন
সূর্যকুমার স্পষ্ট করে বলেন যে উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত সিরিজ শুরুর আগেই নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, 'তিলক ভার্মা অনুপলব্ধ থাকায়, প্রথম ম্যাচ থেকেই দুই উইকেটকিপারই প্লেয়িং ইলেভেনের অংশ ছিলেন। সিরিজ শুরুর আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে সঞ্জু তিনটি ম্যাচে এবং ঈশান দুটি ম্যাচে উইকেটকিপিং করবেন।'