শাহিদ আফ্রিদি১৫ ফেব্রুয়ারির টি২০ বিশ্বকাপের ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে দুরমুশ করেছে ভারত। গ্রুপ লিগের এই ম্যাচে ৬১ রানে জয় পেয়েছে মেন ইন ব্লু। আর কলম্বোয় এই লজ্জাজনক হারের পর পাক দলের উপর রেগে লাল প্রাক্তন ক্রিকেটার শাহিদ আফ্রিদি। তিনি দলের প্রত্যেক সিনিয়র প্লেয়ারের নিন্দা করেন। তাঁর কটু বক্তব্য থেকে রেহাই পাননি জামাই শাহিন আফ্রিদিও।
কী দাবি আফ্রিদির?
এই হারের পর নিজের মতামত জানিয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। তাঁর মতে, বারবার হারছে পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে নিয়মিত ব্যর্থ ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিতে হবে। তাঁর বদলে নতুনদের দিতে হবে জায়গা। আর এই কথা বলতে গিয়ে তিনি বাবর আজম, শাহিন আফ্রিদি এবং শাদাব খানের প্রসঙ্গ তুলে আনেন। তিনি মনে করেন, এই সব ক্রিরেটাররা নিয়মিত ব্যর্থ হচ্ছেন। বড় ম্যাচে হচ্ছেন ফেল। তাই তাঁদের বসিয়ে দেওয়া উচিত। তার বদলে দলে নতুনদের জায়গা করে দিতে হবে।
এই প্রসঙ্গে সামা টিভিতে মুখ খোলেন শাহিদ। তিনি বলেন, 'আমায় যদি সিদ্ধান্ত নিতে হতো, তাহলে আমি শাহিন, বাবর এবং শাদাবকে খেলাতাম না। তাঁদের জায়গায় নতুনদের জায়গা দিতাম। তাঁর প্রতি বিশ্বাস দেখাতাম। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নতুনদের জায়গা দিতে হবে। তাঁদের আত্মবিশ্বাস জোগাতে হবে। আমরা এই সব নতুন প্লেয়ারদের অনেক দিন ধরেই সুযোগ দিয়ে চলেছি। আশা করছি, তাঁরা ওই দলের বিরুদ্ধে ভাল খেলবে। যদি সিনিয়র ক্রিকেটাররা ভাল না খেলতে পারে, তাহলে জুনিয়ারদের কি সুযোগ দেওয়া যায় না?'
শাহিনের অবস্থা ছিল খারাপ
পাকিস্তান বোলিং সেকশনের অন্যতম বড় নাম শাহিন আফ্রিদি। আর সেই শাহিনকেই খুব মেরেছে ভারতীয় ব্যাটাররা। যার ফলে মাত্র ২ ওভারে ৩১ রান দেন এই জোরে বোলার। তাই নিজের জামাই শাহিনকে বসিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাহিদ।
ওদিকে আবার দলের অন্যতম বড় নাম শাদাব খানের অবস্থাও ছিল খারাপ। তিনি মাত্র ১ ওভারেই দেন ১৭ রান। আর ব্যাট হাতে ১৪ রান করেন। ওদিকে আবার ব্যাটার বাবর আজমের অবস্থাও ছিল। তিনিও রান করতে পারেননি। আর এই সব ক্রিকেটারদেরই বসিয়ে দিতে বলেছেন শাহিদ।
দারুণ খেলেছে ভারত
অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে এগিয়ে চলা ভারতীয় ক্রিকেট দল হু হু করে এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁরা আবারও দুরমুশ করল পাকিস্তানকে। যার ফলে টি২০ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখির রেকর্ডটা ৮-১-এ চলে গেল।
১৫ ফেব্রুয়ারি ম্যাচে ভারতের জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন ঈশান কিষান। তিনি ৪০ বলে করে দেন ৭৭ রান। ও দিকে বল হাতে জসপ্রীত বুমরা, হার্দিক পান্ডেয়া, বরুণ চক্রবর্তী এবং অক্ষর প্যাটের ২ উইকেট করে নেন। যার ফলে মাত্র ১১৪ রানে বান্ডিল হয়ে যায় পাকিস্তান।