T20 World Cup 2026: 'এতে রকেট সায়েন্স নেই...' বাবরের ব্যাটিং দেখে ক্ষুব্ধ শোয়েব

টি২০ ক্রিকেটে বাবার আজমের স্ট্রাইক রেট নিয়ে বিতর্ক থামছে না। এবার আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দিলেন শোয়েব আখতার। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটের অনেককিছু নিয়েই খুশি নন। তবে এবার তাঁর টার্গেট বাবর আজম। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক, হলেও স্ট্রাইক রেট কম। 

Advertisement
'এতে রকেট সায়েন্স নেই...' বাবরের ব্যাটিং দেখে ক্ষুব্ধ শোয়েব

টি২০ ক্রিকেটে বাবার আজমের স্ট্রাইক রেট নিয়ে বিতর্ক থামছে না। এবার আরও কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দিলেন শোয়েব আখতার। তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটের অনেককিছু নিয়েই খুশি নন। তবে এবার তাঁর টার্গেট বাবর আজম। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক, হলেও স্ট্রাইক রেট কম। 

বাবরের খারাপ ফর্ম অব্যাহত
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাবর আজম এখন পর্যন্ত তিন ইনিংসে মাত্র ৬৬ রান করতে পেরেছেন। তাঁর গড় ২২ এবং তার স্ট্রাইক রেট ১১৫.৭৮। ধীরগতিতে রান করতে শুরু করায় অন্য প্রান্তের উপর চাপ বাড়ে। আর সেটাই এবারের বিশ্বকাপে দেখা গিয়েছে। নেদারল্যান্ডস এবং ভারতের বিপক্ষে, তিনি খারাপ শট খেলে উইকেট হারিয়েছেন, যা প্রতিপক্ষকে সুবিধা দিয়েছে।

পাকিস্তানি টিভি শো 'গেম অন হ্যায়' তে শোয়েব আখতার বলেন, 'প্রথমত, বাবরের নিজের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল যে এই ফর্ম্যাট তার জন্য নয়। দ্বিতীয়ত, আপনি যদি বাবরকে খেলাতে চান, তাহলে প্রথম ছয় ওভারের মধ্যেই করানো উচিত। এটা খুবই সহজ ব্যাপার, এতে কোনও রকেট সায়েন্স নেই।'

চলতি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে বাবর আজম ৪ নম্বরে ব্যাট করছেন। নামিবিয়ার বিপক্ষে ব্যাট করার সুযোগও পাননি তিনি। পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন বলেছেন যে পাওয়ার প্লেতে স্ট্রাইক রেট কম থাকার কারণে বাবরকে ৪ নম্বরে নামানো হচ্ছে। তবে, প্রাক্তন অধিনায়ক মহম্মদ হাফিজ এই বক্তব্যের সঙ্গে সহমত নন। বলেন, বাবর ৪ নম্বরের জন্য উপযুক্ত ব্যাটসম্যান নন। তাঁর মতে, বাবরের ওপেনার হিসেবে অথবা ৩ নম্বরে খেলা উচিত।

মহম্মদ হাফিজ বলেন, 'বাবর আজম সম্পর্কে আমাদের কোচ মাইক হেসনের বক্তব্য আমি বুঝতে পারিনি। তিনি বলেছিলেন যে বাবর পাওয়ার প্লেতে সুবিধা নিতে পারে না বা ১০ ওভারের পরে বড় শট খেলতে পারে না। আমি এটা ১৫ বার শুনেছি, কিন্তু এখনও বুঝতে পারিনি। যদি তাই হয়, তাহলে বাবর এখনও দলে খেলছেন কেন?'

Advertisement

সুপার ৮ পর্বে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে একটিও বল করা হয়নি এবং উভয় দলকে এক পয়েন্ট করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পর্বে বাবর আজমের ফর্ম এবং ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে প্রশ্ন পাকিস্তানি টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

POST A COMMENT
Advertisement