T20 World Cup Team India 1st XI Final: ফাইনালে বাদ পড়ছেন ব্যর্থ বরুণ? টিম ইন্ডিয়ার গেমপ্ল্যান নিয়ে মুখ খুললেন ক্যাপ্টেন সূর্য

T20 World Cup Team India 1st XI Final: সেমিফাইনালে ওয়াংখেড়েতে ইংরেজ ব্যাটারদের দাপটে দিশেহারা বরুণ কার্যত রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন। ৪ ওভারে ৬৪ রান। এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে তাঁর রাতের ঘুম কেড়ে নিতে কী যথেষ্ট। কিন্তু খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা সেই স্পিনারের হাতেই কি ফের বিষ তুলে দেবেন সূর্যকুমার যাদব?

Advertisement
ফাইনালে বাদ পড়ছেন ব্যর্থ বরুণ? টিম ইন্ডিয়ার গেমপ্ল্যান নিয়ে মুখ খুললেন ক্যাপ্টেন সূর্যএই কম্বিনেশন দেখা যাবে (Getty)

T20 World Cup Final News Team India 1st XI: লক্ষ্য একটাই ঘরের মাঠে বিশ্বজয়ের খরা কাটানো। কিন্তু মেগা ফাইনালের আগে ভারতীয় শিবিরে কাঁটা হয়ে বিঁধছে মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর ফর্ম। সেমিফাইনালে ওয়াংখেড়েতে ইংরেজ ব্যাটারদের দাপটে দিশেহারা বরুণ কার্যত রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন। ৪ ওভারে ৬৪ রান। এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে তাঁর রাতের ঘুম কেড়ে নিতে কী যথেষ্ট। কিন্তু খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা সেই স্পিনারের হাতেই কি ফের বিষ তুলে দেবেন সূর্যকুমার যাদব? শনিবার আমদাবাদে দাঁড়িয়ে ভারত অধিনায়ক যে বার্তা দিলেন, তাতে কিন্তু স্পষ্ট এখনই বরুণকে ‘বাতিল’ করার বান্দা তিনি নন।

সাংবাদিক বৈঠকে চনমনে মেজাজে থাকা সূর্য জানান, “বরুণকে নিয়ে আমরা একেবারেই চিন্তিত নই। ও বিশ্বের এক নম্বর বোলার। ক্রিকেটে সবারই একটা খারাপ দিন যায়। কিন্তু তাই বলে ওর ওপর থেকে ভরসা উঠে যেতে পারে না।” সেমিফাইনালে বিশাল রান খরচ করলেও বরুণের ওপর দলের এই অটুট আস্থা কিউয়িদের বিরুদ্ধে রণকৌশলের অংশ বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে তলে তলে একটা প্রশ্ন কিন্তু ঘুরপাক খাচ্ছেই। মোতেরার লাল মাটির পিচে কি বরুণই খেলবেন, নাকি তাঁর জায়গায় আনা হবে চায়নাম্যান কুলদীপ যাদবকে? প্রশ্নবাণ সামলে সূর্য শুধু একগাল হেসে বললেন, “টসের সময় সব জানতে পারবেন।” কোচ গৌতম গম্ভীরের প্রিয় ছাত্র বরুণ কি রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় মিস্ট্রি স্পিন দিয়ে কিউয়ি দুর্গ চুরমার করতে পারবেন? উত্তরের অপেক্ষায় গোটা দেশ। 

মোতেরার স্টেডিয়ামে মূলত দুই ধরনের পিচ থাকে। লাল মাটি এবং কালো মাটি। ফাইনালের জন্য যেহেতু লাল মাটির আধিক্য থাকা পিচ ব্যবহারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তার প্রভাব স্পিনারদের ওপর নিম্নরূপ হতে পারে। 

বাউন্স ও টার্ন: লাল মাটির পিচে কালো মাটির তুলনায় বাউন্স বেশি থাকে। স্পিনাররা যদি বল বাতাসে জোরে ছাড়েন (যেমন বরুণ চক্রবর্তী বা ওয়াশিংটন সুন্দর করেন), তবে পিচ থেকে বাড়তি বাউন্স আদায় করে ব্যাটারদের অস্বস্তিতে ফেলতে পারেন।

Advertisement

খেলা যত গড়াবে, পিচ তত শুষ্ক হবে। এর ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে বল কিছুটা মন্থর হয়ে আসতে পারে এবং স্পিনারদের আঙুলের গ্রিপ ভালো হবে। বল পিচে পড়ে থমকে এলে (Grip and Turn) কিউই ব্যাটারদের শট খেলা কঠিন হয়ে পড়বে।

হাইব্রিড পিচের প্রভাব: আইসিসি-র নির্দেশনায় তৈরি হাইব্রিড পিচে ঘাসের ছোঁয়া থাকলে শুরুর দিকে পেসাররা সুবিধা পেলেও ১০ ওভারের পর থেকে স্পিনারদের ভূমিকা প্রধান হয়ে উঠবে।

 

 

POST A COMMENT
Advertisement