
পর্তুগালের ফুটবলার পেদ্রো নেটোর জুতো দেখে খানিক অবাক হয়েছিলেন সকলে। এ কেমন জুতো? গোড়ালির কাছে কাটা। প্রশ্ন উঠেছিল, ছেঁড়া জুতো পরে কি খেলতে নেমেছিলেন পেদ্রো? উত্তর, না।

জুতো ছেঁড়েনি। উল্টে গোড়ালির কাছে জুতোর কিছুটা অংশ কেটে খেলতে নেমেছিলেন তিনি। কিন্তু কেন?

ফুটবলারদের অনেকের গোড়ালির হাড় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পায় জুতোর পিছনের শক্ত অংশের সঙ্গে ঘষা লেগে ব্যথা হয়।

একে বলে Haglund's Deformity। তাই জুতোর গোড়ালির অংশ কেটে নেন অনেকে।

১৯২৭ সালে সুইডেনের এক চিকিৎসক প্যাট্রিক হাগলান্ড প্রথম এই রোগ ধরেছিলেন। তার পর থেকে তাঁর নামে একে ‘হাগলান্ডস ডিফরমিটি’ বলা হয়। ১০০ বছর পরে ফুটবলে এই রোগ অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে।

পেদ্রো কোনও দিন প্রকাশ্যে বলেননি, তাঁর জুতো বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়, না তিনি নিজেই তা কেটে পরেন। কিন্তু যদি কোনও ফুটবলারের পায়ে ‘হাগলান্ডস ডিফরমিটি’ থাকে তা হলে এ ভাবে জুতো পরলে আরাম পাওয়া যায়।

অন্যান্য খেলোয়াড়, নৃত্যশিল্পী, সেনা কর্মীরা ভোগেন। তবে ফুটবলারদের মধ্যে সংখ্যাটা বেশি।

FIFA-র আইনে জুতোর গোড়ালি কাটায় আপত্তি নেই। তবে অন্যদের জন্য তা বিপজ্জনক হলে চলবে না।

ম্যাচে নিয়মিত দৌড়, স্প্রিন্ট, টার্ন এবং জাম্পের কারণে। এটা কোনও স্থায়ী চিকিৎসা নয়।