ভারতীয় ফুটবল দল ও কল্যাণ চৌবেফেডারেশনের এলিট লিগে বয়স সংক্রান্ত নিয়ম ভেঙে দোষী সাব্যস্ত ফেডারেশনের নিজস্ব অ্যাকাডেমি। আর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। এর ফলে ফেডারেশনের ভূমিকা নিয়ে ফের সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সমালোচনার ঝড় বইছে বিভিন্ন মহলে।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে সারা দেশের ফুটবল মহলে। বয়স ভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৮ এলিট লিগে নিয়ম না মেনে ফুটবলার রেজিস্ট্রেশনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল ফেডারেশনের ফিফা-এআইএফএফ অ্যাকাডেমি ওড়িশার বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ নিয়ে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কাছে দ্বারস্থ হয়েছিল মিনার্ভা। জানা গিয়েছে। ৯.১ ধারা লঙ্ঘন করার অভিযোগ আনা হয়েছিল এই অ্যাকাডেমির ওপর। চার সদস্যের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি অভিযোগের তদন্ত করে শেষ পর্যন্ত ফিফা-এআইএফএফ অ্যাকাডেমিকে দোষী প্রমাণিত করে। উল্লেখ্য, আর্সেন ওয়েঙ্গারের মতো ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভলপমেন্টের প্রধানের হাত দিয়ে ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর সূচনা হয়েছিল এই অ্যাকাডেমির। এর সেই অ্যাকাডেমিতেই এমন কেলেঙ্কারি স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ পাওয়ার পর তিন দিনের মধ্যে ফেডারেশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারি করার জন্য। একইসঙ্গে এই লিগে অ্যাকাডেমি যে কটি ম্যাচ খেলেছে সেগুলোকেও বাতিল বলে গন্য করা হবে। উল্লেখ্য, বুধবার ফিফা-এআইএফএফ অ্যাকাডেমির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচটিও বাতিল করে দেওয়া হয়।
এদিন রাতে ফেডারেশনের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এই আকাডেমি। যেখানে ফিফার সমর্থন রয়েছে। অ্যাকাডেমির লক্ষ্য জাতীয় দল গঠনের জন্য প্রতিশ্রুতিমান ফুটবলারদের গড়ে তোলা। সেই প্রকল্পকে ঘিরেই বিভ্রান্তি মূলক খবর উপস্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এও জানিয়েছে, বয়সের কারচুপির কারণে অ্যাকাডেমি দলকে অংশগ্রহণ করা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এই দাবিটি বিভ্রান্তিকর ও মিথর। অ্যাকাডেমি একটি অনূর্ধ্ব ১৮ প্রতিযোগিতায় কম বয়সী দল মাঠে নামিয়েছিল। যার উদ্দেশ্য ছিল প্রতিভাবান ফুটবলারদের শক্তিশালী এবং অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সঙ্গে খেলানো।