কল্যাণ চৌবে ও ভালাঙ্কাএআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন ভালাঙ্কা আলেমাও। তাঁকে এক্সিকিউটিভ কমিটির মিটিং-এ কথা বলতে না দেয়া ও অপমান করার অভিযোগ উঠেছে। আর এ ব্যাপারে পাল্টা মুখ খুললেন ফেডারেশন সভাপতি কল্যান চৌবে। তাঁর অভিযোগ, মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে। এমন কিছুই ঘটেনি।
কী অভিযোগ সামনে আনলেন ভালাঙ্কা?
ফলে সব মিলিয়ে ফের সরগরম ভারতীয় ফুটবল। ২২০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসার ফলে অনেকটাই আশার আলো দেখতে পাচ্ছিলেন ভারতীয় ফুটবল অনুরাগীরা। এর মধ্যেই অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত ভারতীয় ফুটবল। রবিবারের সভায় তাঁকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে আলেমাও লেখেন, 'আমি এআইএফএফ সভাপতি শ্রী কল্যাণ চৌবে, সহ-সভাপতি শ্রী এন এ হারিস এবং এম সত্যনারায়ণের জঘন্য আচরণের কথা নথিভুক্ত করতে চাই। আমি অপমানিত বোধ করছি এবং আমি দেখেছি যে সভাপতি আমার কণ্ঠস্বর দমন করার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেছেন।'
পাল্টা চক্রান্তের অভিযোগ কল্যাণের
শুধু এখানেই থেমে থাকেননি ভালাঙ্কা। তাঁর আরও অভিযোগ, 'সভাপতি আমার বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় ও অসম্মানজনক মন্তব্য করেছেন। আমাকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে তিনি বারবার চিৎকার করেছেন। পুরো বৈঠক জুড়ে আমাকে ক্রমাগত লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে।' এর পাল্টা দিয়েছেন কল্যাণও। bangla.aajtak.in-কে কল্যাণ বলেন, 'এমন কিছু একেবারেই ঘটেনি। আপনারা জানেন উনি অনৈতিক ভাবে আইএসএল-এ ঢুকতে চেয়েছিলেন। চাপ দিয়েছিলেন বিভিন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে। আমরা সেই অনৈতিক কাজ করিনি। তাই এ সমস্ত অভিযোগ আনা হচ্ছে।'
ভালাঙ্কা-কল্যাণ সংঘাত
কমিটির মহিলা প্রধান হিসেবে আলেমাও এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের মহিলা এশিয়ান কাপ অভিযান চলাকালীন তাঁর ভাষায় 'ধারাবাহিক ভুলত্রুটি'-র জন্য জবাবদিহি চেয়ে চৌবের কাছে চিঠি লিখেছিলেন। তবে শুধু তাই নয়, এর মধ্যে দল পরিচালনা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সংক্রান্ত নানা ব্যাপারে বারবার তাদের বিরোধ সামনে চলে এসেছে। ফলে এই বিরোধ একেবারেই নতুন নয়।