ডায়মন্ড হারবার এফসিএখনও অনেকটা পথ এগোনো বাকি। তবে ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগে শীর্ষে ডায়মন্ড হারবার এফসি। ৭ ম্যাচ খেলে ৫টা জয়, একটা ড্র আর একটা হার। ফলে বাংলার আরও এক দলকে পরের মরসুমে দেখা যেতে পারে আইএসএল-এ। ইতিমধ্যেই মরসুমের শুরুতে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠে সকলকে চমকে দিয়েছিল কিবু ভিকুনার দল। ডুরান্ড কাপ জিততে না পারলেও, প্রত্যাশা বাড়িয়েছিল এই ক্লাব।
দারুণ ছন্দে ডায়মন্ড হারবার
অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ক্লাব গত কয়েক বছর ধরেই দুর্দান্ত ফুটবল খেলছে। একের পর এক টুর্নামেন্টে দারুণ পারফর্ম করছেন লুকা মাজশেনরা। যা দেখে মনে হচ্ছে, পরের মরসুমের আইএসএল-এ ডায়মন্ড হারবারকে খেলতে দেখা যেতেই পারে। সেক্ষেত্রে মহমেডান স্পোর্টিং যদি এবারে তাদের অবনমন বাঁচিয়ে নেয় তা হলে বাংলা থেকে চার দল দেশের সর্বোচ্চ লিগে খেলবে।
অবনমন বাঁচাতে হবে মহমেডান স্পোর্টিংকে
যদিও, মহমেডান স্পোর্টিং-এর যা অবস্থা, তাতে তাদের পক্ষে অবনমন বাঁচানো কঠিন, হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখনও অবধি ৬ ম্যাচ খেলে একটাও পয়েন্ট পায়নি মেহেরাজউদ্দিন ওয়াডুর দল। লিগ টেবিলের সবার শেষে রয়েছে সাদা-কালো ক্লাব। তবে আশার কথা অবস্থা খারাপ কেরল ব্লাস্টার্সেরও। তারা ৭ ম্যাচ খেলে মাত্র ১ পয়েন্ট পেয়েছে। ফলে সুযোগ এখনও আছে। তড়িঘড়ি এ মরসুমে আইএসএল শুরু করতে হওয়ায়, ট্রান্সফার ব্যান কাটিয়ে কোনও বিদেশি ফুটবলারকে সই করানোর সুযোগ পায়নি মহমেডান স্পোর্টিং।
ভারতীয় ফুটবলারদের ক্ষেত্রেও যে ভাল মানের প্লেয়ার তারা পেয়েছে তেমন নয়। আর সেই কারণেই সমস্যায় পড়তে হয়েছে সাদা-কালো ক্লাবকে। শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব যদি এখান থেকে নিজেদের তুলে আনতে পারে তা হলেই পরের মরসুমে বাংলা থেকে চার দল খেলতে নামবে। যা হতে পারে বিরাট ইতিহাস।
অন্যদিকে ডায়মন্ড হারবার যদি এবারে আইএসএল-এ নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে তা হলে, তারাও রেকর্ড গড়বে। সর্বোচ্চ লিগে উঠে আসার এই প্রক্রিয়ায় তারা একটা বছরও নষ্ট করেনি। জবি জাস্টিন, লুকা মাজশেনরা নিজেদের বারবার প্রমাণ করে চলেছেন।
কীভাবে আইএসএল-এ খেলার ছাড়পত্র পাবে ডায়মন্ডহারবার?
প্রথমে ফেজ ১-এ প্রথম পাচে থাকতে পারলেই চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডে খেলার সুযোগ পাবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ক্লাব। সেখানে জিততে পারলেই সোজা আইএসএল-এ ঢুকে পড়তে পারবে বাংলার এই ক্লাব। সব মিলিয়ে বোলা যায়, যা পরিস্থিতি তাতে, বাংলার ফুটবলের জন্য দারুণ দিন আসতে পারে পরের মরসুম থেকেই।