ইউসেফ এজ্জেজ্জারিজয় দিয়েই আইএসএল শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। দলে একাধিক চোট আঘাত সমস্যার মধ্যে নর্থ ইস্টের বিরুদ্ধে ২ গোলে জয় যেমন স্বস্তির তেমনই লাল-হলুদ সমর্থকদের আনন্দ দেবে নবাগত বিদেশি ইউসেফ এজ্জেজ্জারির জোড়া গোল। প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমেই নিজের জাত চিনিয়েছেন স্প্যানিশ তারকা। প্রথমার্ধে যদিও সুযোগের পর সুযোগ পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। গোল আসেনি।
বিপিনকে খুঁজে পান উপরে উঠে আসা জিকসন সিং ভালো করেছেন, বিপিন ফাঁকায় শান্ত ভাবে বক্সের ভেতরে একটি ক্রস তুলে দেন। বল অনেকটা সুইং করে। এজ্জেজ্জারি ক্রস মিট করে দারুণ হেড করেন। বল সোজা গোলে ঢুকে যায়। এটা এজ্জেজ্জারির প্রথম গোল। দারুণ অভিষেক স্প্যানিয়াডের। হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন লাল-হলুদ সমর্থকরা।
দ্বিতীয় গোল আসে কিছু সময় পরেই। চাপের মুখে বাঁ দিকে বল দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন এডমুন্ড লালরিন্ডিকা। মাঝখানে এজ্জেজ্জারিকে দেখে লব করা বল তাঁকে দিতে যান। ক্রস পৌঁছালেও সরাসরি যায়নি। এজ্জেজ্জারির পায়ে পড়লেই জোরালো ভলি ঢুকে যায় গোলের মধ্যে। ম্যাচের একেবারে শেষ লগ্নে ব্যবধান বাড়ান মিগুয়েল ফেরেরা। জয় গুপ্তা মিগুয়েলকে দুর্দান্ত থ্রু বল দেন, বক্সের ভেতরে অনেকটা ছোট অ্যাঙ্গেলে চলে যান। গোলরক্ষকের মুখের উপর দিয়ে দ্বিতীয় পোস্ট লক্ষ্য করে শট করেন। গোলে ঢুকে যায় বল।
গোটা ম্যাচ জুড়েই দাপট দেখিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। বড় দলের মতোই পজেশন রেখে আক্রমণে যাওয়া হোক, বা পরে পরিবর্ত হিসেবে নামা ফুটবলারদের পারফরম্যান্সই হোক সবেতেই পুরনো ইস্টবেঙ্গল। বিপিন, জয় গুপ্তারা সারা ম্যাচ জুড়ে আক্রমণ করে গিয়েছেন। চাপে রেখেছেন নর্থ-ইস্টকে।
দলে একাধিক ফুটবলারের চোট থাকলেও, রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তি দেখে অনেকটাই আশ্বস্ত সমর্থকরা। আর যেভাবে প্রথমার্ধ থেকেই ভাল খেলেছেন এজ্জেজ্জারি আর তারপর তাঁর দুই গোল আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়াবে ইস্টবেঙ্গলের। অন্যদিকে কেভিন সিবিলে দলে কবে যোগ দেবেন জানা নেই। তবে তিনি না থাকলেও ডিফেন্সের শক্তি ঠিক কেমন সেটা সেভাবে দেখার সুযোগ হল না। যখন তা হল তখন ২ গোলে পিছিয়ে নর্থ ইস্ট। সেখান থেকেও কাজের কাজ করতে পারেনি তারা।