অস্কার ব্রুজো ও নীতু সরকারঘরের মাঠে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিন পয়েন্ট হারাল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের শেষ মূহুর্তে গোল খেয়ে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা। হতাশ সমর্থকরা গ্যালারিতে 'গো ব্যাক অস্কার' স্লোগান তুললেন। বাইরেও একই চিত্র দেখা গেল। টিম বাসে যখন গোটা ইস্টবেঙ্গল দল মাঠ ছাড়ছিল তখনও ক্ষুব্ধ সমর্থকরা 'গো ব্যাক অস্কার' ধ্বনি তুললেন।
কী বললেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা?
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারও হতাশ। সমর্থকদের শান্ত করার চেষ্টা চালালেন ম্যাচ শেষ হওয়ার পরে। তিনি বললেন, 'এর থেকে জঘন্য ফুটবল আমি দেখিনি। এই রকম ফুটবল খেললে এই রকম ফলই হবে।' ক্ষুব্ধ ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা ঘিরে ধরেন শীর্ষকর্তাকে। সমর্থকরা একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিতে থাকেন, 'কেন তাদের মাতুসম ক্লাব দিনের পর দিন খারাপ পারফর্ম করছে?' কেন বিদেশিরা ভালো মানের নয়?' ঠান্ডা মাথায় দেবব্রত সরকার জবাব দেন। তিনি বলেন, 'আমাদের হাতে ক্ষমতা নেই। কোচকে সরানোর বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত কোম্পানিই নিতে পারবে।'
ম্যাচে কী হল?
পেনাল্টি থেকে ম্যাচের ১০ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন ইয়ুসুফ এজ্জাজারি। তিনিই পেনাল্টি আদায় করে নেন। এডমুন্ড মার্কিং আড়াল করে ঢুকে যান পেনাল্টি বক্সের মধ্যে। তাঁর মাইনাস ধরতে পৌঁছে গিয়েছিলেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার। তাঁকে ধরতে পারেননি ডিফেন্ডাররা। ফলে পেছন থেকে বল ছাড়া ট্যাকেল হয়। পেনাল্টি দেন রেফারি। কেরালা গোলকিপার আর্শ আনোয়ার শেখকে পুরো উল্টোদিকে ফেলে গোল করে যান।
এরপর থেকেই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে ইস্টবেঙ্গল ফুটনলাররা। ১ গোলে এগিয়ে থেকেই ফের রক্ষণের খোলসে ঢুকে পড়লেন কোচ অস্কার ব্রুজো। গোল খাওয়ার মতো পরিস্থিতি বারবার এসে গিয়েছিল। ইনজুরি টাইমে সেই ভুল থেকেই ১ পয়েন্ট খুইয়েই ম্যাচ শেষ করতে হল।
কিভাবে সমতা ফেরাল কেরালা?
ইনজুরি টাইমে সমতা ফেরায় কেরালা। ইবিনদাস বাঁ দিক থেকে ভেসে আসা বলে হেড করে গোল করেন মহম্মদ আজসাল। ফলে ফের পয়েন্ট হারাতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে।