ইস্টবেঙ্গলজেরি মাউইহমিংথাঙ্গাকে সই করাল ইস্টবেঙ্গল এফসি। চার ভারতীয় উইঙ্গার ছিল লাল-হলুদের নজরে। এদের মধ্যে এগিয়ে ছিলেন জেরি। তাই তাঁকে সই করাল লাল-হলুদ। চারজন উইঙ্গারকে টার্গেট করেছিল ইস্টবেঙ্গল। এদের মধ্যে জেরি সবচেয়ে বেশি পছন্দের ছিলেন। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছে আইএসএল। তবে এখনো এই তারকার দলে আসার ব্যাপারে সরকারিভাবে কিছুই জানায়নি ইস্টবেঙ্গল।
বেশ কিছু নাম জমা পড়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ওড়িশা এফসির ইসাক ভানলালরুয়াথফেলা, চেন্নাইয়ন এফসির ইরফান ইয়াদওয়াদ, মুম্বই সিটি এফসির বিক্রম প্রতাপ সিং এবং ২৮ বছর বয়সী মিজো উইঙ্গার জেরি মাওয়িমিংথাঙ্গা। যদিও সূত্রের খবর, ইসাককে ছাড়তে রাজি হচ্ছে না ওড়িশা এফসি। অন্যদিকে জেরিকে নেওয়া কিছুটা হলেও সহজ কারণ বর্তমানে তিনি একজন ফ্রি ফুটবলার। তবে বাকি তিন ফুটবলারের মধ্যে যেকোনও একজনকে একান্ত না পেলে, তবেই সম্ভবত জেরির জন্য এগোবে ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে লাল-হলুদে আইএসএলের জন্য ষষ্ঠ বিদেশি নেওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
অভিজ্ঞ উইঙ্গার জেরি মাউইহমিংথাঙ্গাকে চুক্তিবদ্ধ করায় ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণাত্মক বিকল্প আরও শক্তিশালী হল। ২৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় আসন্ন মরসুমের আগে তাদের ফরোয়ার্ড লাইনে গতি, সৃজনশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে লাল-হলুদে যোগ দিয়েছেন। তার আগমন ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণাত্মক খেলায় নতুন শক্তি সঞ্চার করবে এবং শেষ তৃতীয় ম্যাচে অতিরিক্ত শক্তি যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে ইস্টবেঙ্গলে সই করা স্প্যানিশ স্ট্রাইকার ইউসেফ এজেরাইও দ্রুত আসতে চলেছেন কলকাতায়। তাঁর নামও সরকারিভাবে ঘোষণা হয়নি। তবে, দ্রুত তাঁর ভিসার আবেদন করা হয়ে গিয়েছে। ফলে ভিসা পেয়ে গেলেই তিনি ভারতে চলে আসতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। আইএসএল নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছিল অনেকদিন ধরেই। ফলে বিভিন্ন ক্লাব থেকে একের পর এক তারকা বিদেশি দল ছাড়ছিলেন। প্রাথমিক ভাবে সেই তালিকায় ইস্টবেঙ্গলের কেউ না থাকলেও। পরে দেখা যায় মরক্কোর স্ট্রাইকার হামিদ আহাদদ দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে ব্যাপারটা চূড়ান্তও করে ফেলেন তিনি। এর কিছুদিনের মধ্যেই ক্লাবের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, আরেক বিদেশি স্ট্রাইকার হিরোশিকেও ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
দুই স্ট্রাইকারকে একসঙ্গে ছেড়ে দেওয়ায় গোল করার লোক পাচ্ছিল না ইস্টবেঙ্গল। বাংলার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও আইএসএল একেবারেই আলাদা মঞ্চ। সেখানে কঠিন প্রতিদ্বন্দিতার মুখে পড়তে হবে। ফলে সেক্ষেত্রে ডেভিড হামাদের দিয়ে কাজ চালানো যাবে না। তার উপর আবার ম্যাচের সংখ্যা কম। প্রতিবছর হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলা হলেও, এবারে শুধু একটাই লেগ অনুষ্ঠিত হবে। তাই সব দলকেই সতর্ক থাকতে হবে।