ইস্টবেঙ্গলগত কয়েক মরসুমের সঙ্গে এবারের মরসুম ইস্টবেঙ্গলের একেবারে আলাদা, তা আপাতত সোমবারের পারফরম্যান্স দেখেই সমর্থকরা আশা করতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে ইউসেফ এজেজারির জোড়া গোল যেন সেই আশার পারদটাকে আরও চড়িয়ে দিয়েছে। গত কয়েক মরসুমে এমন দূরন্ত শুরু দেখেননি লাল-হলুদ সমর্থকরা।
ইউসেফের পারফরম্যান্স যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে, তার মধ্যেই খুশির খবর লাল-হলুদের নতুন বিদেশি অ্যান্টন সোজবার্গের শহরে আসার দিন জানতে পেরে যাওয়া। সোমবারই হাতে ভিসা পেয়েছিলেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে বুধবার সকালেই শহরে পা রাখতে চলেছেন এই ডেনমার্কের স্ট্রাইকার।
অ্যান্টন এসে গেলে স্ট্রাইকার পজিশনে বিকল্প বাড়বে অস্কারের হাতে। প্রয়োজনে দুই বিদেশি স্ট্রাইকারকেও দেখা যেতে পারে। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের পরের ম্যচে প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি। গত কয়েক মরসুম যেখানে হতাশায় ডুবতে হয়েছে লাল-হলুদ সমর্থকদের। এবারে সামগ্রিকভাবে যা পরিস্থিতি তাতে আইএসএল নিয়ে আশা করতেই পারেন তাঁরা। গতবার প্রথম পাঁচ ম্যাচেই লিগ হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল। সুপার সিক্সেও ঠাঁই হয়নি অস্কারের দলের।
জামশেদপুরের বিরুদ্ধে শুধু জয় নয়, দূরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছেন ইউসেফরা। তার উপর আবার কেভিন সিবিলে, নাওরেম মহেশ সিংরা নেই। কেভিনরা ফিরে এলে শক্তি আরও বাড়বে। প্রথম ম্যাচে দুরন্ত জয় আসার পর আশা করা যাচ্ছে পরের ম্যাচে আরও দর্শক যুবভারতীতে আসবেন মিগুয়েলদের উৎসাহ দিতে।
এবারের আইএসএল মাত্র তেরো ম্যাচের সিঙ্গল লেগের লিগ হওয়ায় ঘরের মাঠের প্রত্যেকটি ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ম্যাচের ধারাবাহিকতা যদি দ্বিতীয় ম্যাচেও বজায় থাকে, তা হলে আনোয়ারদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়বে। অল্পের জন্য হ্যাটট্রিক না হলেও দল জেতায় খুশি ইউসেফ। প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করে দলকে জেতানোর পর তিনি বলেন, 'আমি খুশি তিন পয়েন্ট আসায়। এভাবেই এগিয়ে যেতে চাই। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই লিগে প্রত্যেকটি ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রতিটি পদক্ষেপ মেপে চলতে চাই।' সোমবার শুধু তিন গোলে জয়টা নয়, পাশাপাশি গোল না খাওয়াটাকেও গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসাবে দেখছেন লাল-হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজো।