
ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল গ্যালারি- পিটিআই ছবিঅনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। একাধিক মিটিং হয়েছে। শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দিল ইমামি গোষ্ঠী। ডুরান্ড কাপ জয়ের পরেও ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর হিসেবে নিজেদের সরিয়ে নিল ইমামি গোষ্ঠী। সংস্থার তরফে জানানো হল, ইমামি গোষ্ঠী আর কোনও লগ্নি করবে না ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। সব শেয়ার ও অ্যাসোসিয়েটেড ভোটাধিকার ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে আনুষ্ঠানিক ভাবে তুলে দেওয়া হল।
স্পনসর হিসেবে থাকছে ইমামি
ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর সমস্যা দীর্ঘ দিন ধরেই চলছে। তবে কিছুটা আশার খবর হল, স্পনসর হিসেবে থাকবে ইমামি। স্পনসর হিসেবে ক্লাবকে সাহায্য করে যাবে ইমামি গোষ্ঠী। আজ অর্থাত্ ২৫ অগাস্ট এক বিবৃতিতে ইমামি গ্রুপ জানিয়েছে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পরিচালনায় বিনিয়োগকারী হিসেবে তাদের ভূমিকা শেষ। এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে নিজেদের হাতে থাকা সমস্ত শেয়ার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটাধিকার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের হাতে তুলে দিয়েছে সংস্থাটি। এর ফলে ক্লাবের বিনিয়োগ ও পরিচালনায় ইমামির অধ্যায় শেষ হল।
ইমামি আর বিনিয়োগে রাজি নয়
বিবৃতিতে ইমামি জানিয়েছে, ইমামি-ইস্টবেঙ্গল জুটির সময়ে ক্লাবের পুরুষ ও মহিলা ফুটবলে একাধিক সাফল্য এসেছে। ২০২৬ সালে পুরুষ দল প্রথমবার ISL চ্যাম্পিয়ন হয়। এর আগে ২০২৪ সালে জিতেছিল কলিঙ্গ সুপার কাপ। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে পরপর কলকাতা ফুটবল লিগও জেতে লাল-হলুদ। মহিলা ফুটবলেও এসেছে একাধিক ঐতিহাসিক সাফল্য। ২০২৩ সালে কন্যাশ্রী কাপ জয়ের পর ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো SAFF Women’s ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ জেতে ইস্টবেঙ্গল।

আর্থিক সঙ্কট বাড়ল ইস্টবেঙ্গলের
আপাতত ইস্টবেঙ্গলের হাতে কোনও ইনভেস্টর নেই। ফলে আর্থিক সঙ্কট বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা। দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ফুটবলের রোডম্যাপ, অনিশ্চয়তা নিয়ে ইমামি অসন্তোষ প্রকাশ করছিল। তার উপর ফুটবল ক্লাব চালানো আর্থিক দিক থেকে খুবই চ্যালেঞ্জিং। সেই সবের কথা মাথায় রেখেই ইমামি সরে গিয়েছে।