Erling Haaland Favorite Food: নরওয়ের ভারতীয় দম্পতির রেস্তরাঁয় খেতে যান হাল্যান্ড, কী কী পছন্দ স্ট্রাইকারের

ভারতীয় খাবারে মজে আরলিং হাল্যান্ড (Erling Haaland)। নরওয়েতে দিল্লির এক দম্পতির রেস্তরাঁয় মাঝেমধ্যেই যান তারকা স্ট্রাইকার। গার্লিক নান দিয়ে বাটার চিকেন চিট মিল হিসেবে খেতে দারুণ পছন্দ করেন তিনি। হাল্যান্ড অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি যা-ই খান না কেন, নিজের ফিটনেসের কথা সব সময় মাথায় রাখেন।

Advertisement
নরওয়ের ভারতীয় দম্পতির রেস্তরাঁয় খেতে যান হাল্যান্ড, কী কী পছন্দ স্ট্রাইকারের ?হাল্যান্ডের প্রিয় ভারতীয় খাবার

ভারতীয় খাবারে মজে আরলিং হাল্যান্ড (Erling Haaland)। নরওয়েতে দিল্লির এক দম্পতির রেস্তরাঁয় মাঝেমধ্যেই যান তারকা স্ট্রাইকার। গার্লিক নান দিয়ে বাটার চিকেন চিট মিল হিসেবে খেতে দারুণ পছন্দ করেন তিনি। হাল্যান্ড অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি যা-ই খান না কেন, নিজের ফিটনেসের কথা সব সময় মাথায় রাখেন। একজন পেশাদার ফুটবলার হিসেবে শক্তি, সহনশীলতা এবং ফিটনেস ধরে রাখতে তিনি নিয়ম মেনে খাবার খান। তবে ভারতীয় খাবারের মধ্যে এমন কয়েকটি পদ রয়েছে, যা তিনি বিশেষ ভাবে পছন্দ করেন।

হালান্ডের প্রিয় খাবার কী কী?  

বাটার চিকেন: মুর্গ মাখানি নামেও পরিচিত এই পদে তন্দুরে রান্না করা মুরগির মাংস ব্যবহার করা হয়। এর পর তা টমেটো, মাখন, ক্রিম এবং বিভিন্ন মশলা দিয়ে তৈরি ঘন ঝোলের সঙ্গে রান্না করা হয়। এই খাবারের স্বাদে যেমন মাখনের সমৃদ্ধি থাকে, তেমনই থাকে মশলার সুন্দর ভারসাম্য। খুব বেশি ঝাল নয়, আবার একেবারে মশলাহীনও নয়। সেই কারণেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাটার চিকেন এত জনপ্রিয়। ভারতীয় খাবারের কথা উঠলে অনেকের মতো হাল্যান্ডেরও প্রথম পছন্দগুলির মধ্যে এটি রয়েছে।

গার্লিক নান: মাখন ও তাজা রসুন মাখানো নরম ও তুলতুলে রুটি। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন তিনি প্রায়ই দক্ষিণ এশীয় রেস্তোরাঁগুলোতে যেতেন; আর নরওয়েতে ফিরে এলে সেই বিশেষ স্বাদের তৃপ্তি মেটাতে তিনি অসলোর জনপ্রিয় ও পারিবারিক মালিকানাধীন ‘নিউ দিল্লি রেস্তোরাঁ’-য় যান।

ল্যাম্ব চপস: হলান্ডের সবচেয়ে পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে ল্যাম্ব চপস। এই পদটি মাংসপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাধারণত মাংসের টুকরোগুলিকে রসুন, বিভিন্ন সুগন্ধি মশলা, তেল এবং লেবুর রসে কিছু সময় মাখিয়ে রাখা হয়। এর পর তা আগুনে ঝলসে বা ভেজে তৈরি করা হয়।

ভারতীয় খাবারের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা জানার পর অনেক সমর্থকই খুশি হয়েছেন। ফুটবলের বাইরে তাঁর এই অন্য দিকটিও এখন বেশ চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement