হ্যারি কেনশেষ ৩২-এর লড়াইয়ে কঙ্গোর বিরুদ্ধে শুরুতে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়লেও দারুণ লড়াই করে ফিরে এসেছে ইংল্যান্ড। যে ডিফেন্স ভাঙতে কালঘাম ছুটছিল থ্রি লায়েন্সদের সেই রক্ষণ ভাঙল টমাস টুচেলের দু'টো সাবস্টিটিউশনে। ৬১ মিনিটে ননি মাদুয়েকে তুলে বুকায়ো সাকাকে নামিয়ে দেন চেলসির প্রাক্তন কোচ। আর এরপরেই হ্যারি কেন সমতা আনেন, শেষ মুহূর্তে ফের তাঁর গোল ইংল্যান্ডকে ম্যাচ জেতায়।
এবার প্রশ্ন হল, প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ কে?
সোমবার ইংল্যান্ড শেষ ষোলর ম্যাচে মুখোমুখি হবে মেক্সিকোর। তারা ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ২-০ গোলে জয় পায়। আর সেই কারণেই হ্যারি কেনদের মুখোমুখি হচ্ছে আয়োজক দেশ। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৪০ বছর পর নক আউট পর্বে জয়ের দেখা পেয়েছে মেক্সিকো। ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে এই জয়ের ফলে ইতিহাস রচনা করেছে সহ-আয়োজকরা। ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে কোন ম্যাচ জিততে পারেনি মেক্সিকো।
এক দর্শক বললেন, ‘ইংল্যান্ড দলে ব্যালন ডি'অরের অন্যতম দাবিদার হ্যারি কেন আছে। জুড বেলিংহ্যাম আছে। ওদের দল ভয়ঙ্কর। কিন্তু আমাদের যে ছন্দ তৈরি হয়েছে, তাতে অসম্ভবকেও সম্ভব করার সুযোগ!’
মেক্সিকোর সবচেয়ে বড় অস্ত্র
ঘরের মাঠে মেক্সিকোর পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে কেন প্রতিপক্ষ সতর্ক (Azteca Stadium Record)। অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৮৯টির মধ্যে ৭০টিতে জিতেছে মেক্সিকো। ড্র ১৭টি। হার মাত্র দু'টিতে (Mexico Clean Sheet)। বিশ্বকাপে এই মাঠে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত তারা।
হ্যারি কেনের ফর্ম
বিশ্বকাপে নিজের নামের পাশে ৫ গোল করে নিলেন এদিনের ২ গোল করার মাধ্যমে। প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়ের সময় কঙ্গোর গোলকিপারের ট্যাকেলের মুখে পড়েন হ্যারি কেন কিন্তু প্রাথমিকভাবে রেফারি তাতে পেনাল্টি দেননি এবং ভারের কাছে বিচারের জন্য গেলেও পেনাল্টি দেওয়া হয়নি যা নিয়ে ইংলিশ শিবিরকে কার্যত বিপর্যস্ত দেখায়। তবে ৮৫ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করেন হ্যারি কেন। এর সঙ্গে সঙ্গে গ্যারি লিনেকারের রেকর্ড ভেঙে দেন। ইংল্যান্ডেক হয়ে সর্বোচ্চ গোল করা ফুটবলার হয়ে গেলেন। ভাঙলেন এমবাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড। এদিন হ্যারি কেন ২ টি গোল করে এবারের বিশ্বকাপে পাঁচ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে চলে এলেন।