
বিশ্বকাপ শুরু হতে আর এক মাসও বাকি নেই। এর মধ্যেই বিশ্বকাপ নিয়ে নানা খবর সামনে আসছে। এবারের আসরে ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ করতে যাচ্ছে ফিফা। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে আয়োজিত হবে হাফটাইম শো। সেই মঞ্চে একসঙ্গে পারফর্ম করবেন ম্যাডোনা, শাকিরা এবং বিটিএস।
কবে ফাইনাল?
ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। সেখানে পারফর্ম করবেন পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা, শাকিরা এবং কে-পপ সেনসেশন বিটিএস। আজ ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এ ঘোষণা দিয়েছে। পুরো আয়োজনের কিউরেটর হিসেবে থাকছেন কোল্ডপ্লে ব্যান্ডের ক্রিস মার্টিন। বিশ্বকাপের ফাইনালে এ ধরনের ‘হাফটাইম শো’ এবারই প্রথম। তবে এ অনুষ্ঠানের কারণে ম্যাচে বিরতির নির্ধারিত সময় ঠিক কতটা বাড়বে, তা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
৪৮ দলের বিশ্বকাপ
আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে আগামী ১১ জুন মাঠে গড়াবে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ। ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো গত বছরের মার্চে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে এমন শো আয়োজনের ঘোষণা দেন। তবে কারা পারফর্ম করবেন কিংবা কতক্ষণ এই শো চলবে, সে বিষয়ে তখন কিছু জানাননি ইনফান্তিনো।
বিনোদনের দারুণ ব্যবস্থা
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমবারের মতো হাফটাইম শো অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি হবে ১৯ জুলাই ২০২৬, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। ১১ মিনিটের মতো এই শো অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফুটবল ফাইনালকে কেবল ক্রীড়া নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম বড় বিনোদন মঞ্চে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগে থেকেই এই ধারণাকে “নতুন যুগের সূচনা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইনস্টাগ্রামে কী জানালেন ইনফান্তিনো
সব মিলিয়ে, ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালের বিরতিতে এমন তারকাখচিত আয়োজন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সমর্থকরা যেমন উচ্ছ্বসিত, তেমনি ফুটবলপাড়ায় এই 'এন্টারটেইনমেন্ট টার্নিং পয়েন্ট' নিয়ে চলছে নানা বিতর্কও। আজ নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে করা পোস্টে ইনফান্তিনো বলেন, ‘বিশ্বকাপের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ইভেন্টের উপযুক্ত এক আয়োজন হবে এটি।’