জাপান শীর্ষে উঠে এলপরপর দুই ম্যাচ জয়। মেক্সিকোর মন্টেরে স্টেডিয়ামে রবিবার সকালে টিউনিশিয়াকে ৪-০ গোলে হারাল জাপান। প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল এশিয়ার দলটা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই দাইচি কামাদা দলের হয়ে প্রথম গোল করেন, যা ম্যাচের গতি পুরোপুরি জাপানের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। এরপর পুরো প্রথমার্ধ জুড়ে মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে তারা।
দ্বিতীয় গোলও আসে প্রথমার্ধে
টিউনিশিয়ার নতুন কোচ এরভে রেনার্ডের জন্য এটা ছিল দুঃস্বপ্নের শুরু। ১০ মিনিটে জাপান ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেলেও গোলকিপার আয়মেন দাহমেন অসাধারণ সেভ করেন। ৩১ মিনিটে আয়াসে উয়েদা বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শটে বল নিচের কর্নারে পাঠিয়ে ২-০ করেন। প্রথমার্ধ শেষ হয় ২-০ তে, যেখানে জাপানের বল দখল ছিল ৬৬% বনাম টিউনিশিয়ার ৩৪%। জাপান ৫টি শটের ৩টি লক্ষ্যে রাখে, টিউনিশিয়ার শট অন টার্গেট শূন্য।
৩১তম মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। ইউদা দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে টিউনিসিয়ার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এই গোলের পর টিউনিসিয়ার রক্ষণভাগ আরও চাপের মুখে পড়ে।
অন্যদিকে, টিউনিসিয়ার আক্রমণ ছিল খুবই সীমিত। প্রথমার্ধে জাপানের উইঙ্গার জুনিয়া ইতো কয়েকবার দ্রুত গতির দৌড়ে টিউনিসিয়ার রক্ষণ ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করলেও চূড়ান্ত মুহূর্তে সফল হতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ২ গোল
বিরতির পরও জাপানের আক্রমণ থামেনি। দুই অর্ধেই জাপান ২টি করে গোল করে। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরলাইন দাঁড়ায় টিউনিশিয়া ০ - ৪ জাপান।
প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর টিউনিশিয়া কোচ সাবরি লামুচিকে বরখাস্ত করে এরভে রেনার্ডকে আনে। কিন্তু রেনার্ডও দলকে জাগাতে পারেননি। প্রথমার্ধে টিউনিশিয়ার খেলা দেখে তিনি রীতিমতো হতাশা প্রকাশ করেন। সুইডেন ম্যাচের পর আবারও ৪ গোল হজম করায় তাদের ডিফেন্স নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠল।
শীর্ষে জাপান
জাপান প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ ড্র করেছিল। কামাদা ও কেইতো নাকামুরার গোলে তারা পয়েন্ট পায়। টিউনিশিয়া সুইডেনের কাছে ৫-১ হারে, ওমর রেকিক একমাত্র গোল করেন। এই ম্যাচের পর জাপান ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে ওঠার দৌড়ে এগিয়ে গেল, আর টিউনিশিয়া ০ পয়েন্টে তলানিতে।