FIFA World Cup 2026: প্রথম ম্যাচে খেলবেন ইয়ামাল? স্পেনের আরও এক তারকাকে নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে আরেক কাপ দাবিদার স্পেন। প্রতিপক্ষ নবাগত কেপ ভার্দে। এই ম্যাচ থেকেই কি চোট সারিয়ে ফেরত আসছেন ওয়ান্ডার কিড লামিনে ইয়ামাল? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। ইয়ামাল তো বটেই, সংশয় রয়েছে উইলিয়ামসের চোট নিয়েও।  

Advertisement
প্রথম ম্যাচে খেলবেন ইয়ামাল? স্পেনের আরও এক তারকাকে নিয়ে বাড়ছে জল্পনা লামিনে ইয়ামাল

বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করছে আরেক কাপ দাবিদার স্পেন। প্রতিপক্ষ নবাগত কেপ ভার্দে। এই ম্যাচ থেকেই কি চোট সারিয়ে ফেরত আসছেন ওয়ান্ডার কিড লামিনে ইয়ামাল? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। ইয়ামাল তো বটেই, সংশয় রয়েছে উইলিয়ামসের চোট নিয়েও।  

প্রথম ম্যাচে কি লামিনে ইয়ামালকে নামাবেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে। বিশ্বকাপে প্রথমবার দেখা যাবে তাঁকে? গত এপ্রিলে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের পরে ইয়ামাল ১০০ শতাংশ ফিট কি না, সেই প্রশ্নে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা থাকছেই। একই ভাবে সংশয় প্রতিশ্রুতিমান ফরোয়ার্ড নিকো উইলিয়ামসকে নিয়ে। তাঁরও 'হ্যামি প্রবলেম' অর্থাৎ হ্যামস্ট্রিং সমস্যা। কিন্তু আশার আলো বলতে, গত বৃহস্পতিবার থেকে টিমের সঙ্গে ট্রেনিংয়ে নেমে পড়েছেন দু'জনেই। ইয়ামাল প্রথম এগারোয় থাকবেন কি থাকবেন না, তা নিয়েই বিভিন্ন বেটিং সাইটে বাজির দর তুঙ্গে। বেশ কিছু সাইটে সম্ভাব্য সোনার বুটের দাবিদার হিসেবেও শীর্ষ বাছাই বার্সোলোনার মহাতারকা।

২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পরে ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্যায়ে বিদায়, ২০১৮ ও ২০২২ সালে রাউন্ড অফ সিক্সটিনে ছুটি। কিন্তু তার পরেই ২০২৪ সালের ইউরোয় পুনরুত্থান লা রোখার। রাতারাতি বিশ্ব ফুটবলকে চমকে দিয়ে বিস্ময়কিশোর ইয়ামালের উত্থান, সঙ্গে পেত্রি, রদ্রি, ফেরান তোরেসের মতো একঝাঁক তারকার উপস্থিতি। যাঁরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন খাবি-ইনিয়েস্তা-বুসকেদের প্রজন্মকে। পেত্রিরাই স্পেনের ফুটবলে নিউ এজ গোল্ডেন জেনারেশন, যাঁদের নিয়ে ইউরোর পরে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে স্পেন। দেখবে না-ই বা কেন? ২০২৪ সালের মার্চে ওয়েম্বলিতে কলম্বিয়ার কাছে একটা ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ০-১ হেরেছিল স্পেন। তার পরে থেকে গত আড়াই বছর ধরে টানা ৩০ ম্যাচ অপরাজিত লা রোগা।

এখন প্রশ্ন, কেপ ভেদের মতো একটা অনামী টিমের বিরুদ্ধে কি ইয়ামাল বা উইলিয়ামসকে নামানোর ঝুঁকি নেবেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। আর এক তারকা মিকেল মেরিনোরও চোট আছে, তিনি কতটা ফিট?

প্রতিপক্ষ কেপ ভেদে দেশটার নামই অনেকে শোনেননি। আটলান্টিক মহাসাগরে ১০টি হীপের সমষ্টি হলো কেপ ভের্দে, যারা এই বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্বকারী আফ্রিকার ১০টি দেশের মধ্যে একটি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে জনসংখ্যার বিচারে কেপ ভেদে তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। আগের দুটো দেশ ২০১৮ সালের আইসল্যান্ড আর এ বারের কুরাসাও। কেপ ভেদের জনসংখ্যা। ৬ লক্ষেরও কম। বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জনের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল পর্তুগালের হাত থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার ৫০ বছর। ধীরে কিন্তু নিশ্চিত ভাবে ফুটবল দুনিয়ায় এই জায়গায় পৌঁছেছে কেপ ভের্দে। ২০১৩ সালে প্রথমবার আফ্রিকান কাপ অফ পৌঁছে যাওয়া কোয়ার্টার ফাইনালে। টিমটার অনেক ফুটবলারই পতুগাল, নেদারল্যান্ডস এবং আমেরিকার বিভিন্ন ক্লাবে খেলেন। ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, এই ম্যাচে স্পেনের জয়ের সম্ভাবনা ৮৭.২ শতাংশ, কেপ ভের্দের মাত্র ৪.৮ শতাংশ। এক কথায়, কিছুই হারানোর নেই টিমটার। যাদের বলা হয় ব্লু শার্কস। অর্থাৎ নীল হাঙর। যাদের থাকছে ভয়ডরহীন ফুটবল খেলে প্রথম ম্যাচেই বিশ্বকে চমকে দেওয়ার হাতছানি।

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement