কান্নায় ভেঙে পড়েছেন নেইমার২২ বছর পর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল ব্রাজিল। তবে এবারে তাঁদের স্বপ্ন শেষ করল নরওয়ে। জোড়া গোল আর্লিং হাল্যন্ডের। শুরু থেকে ভাল ফুটবল খেললেও ব্রাজিলের তাল কাটল শেষদিকে এসে। মূলত এই পাঁচ কারণে হারতে হল ব্রাজিলকে।
পেনাল্টি মিস
ফুটবল খুবই নিষ্ঠুর। নক আউট পর্বে পেনাল্টি মিস করলে পিছিয়ে পড়তে হয়। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটল। পেনাল্টি পেতেই সকলে মনে করেছিলেন, শট নেবেন ছন্দে থাকা ভিনিশিয়াস জুনিয়র। তবে তার জায়গায় শট নিতে আসেন ব্রুনো গুইমারেস। সাধারণ মানের শট। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে বাঁচান নরওয়ে গোলকিপার নিল্যান্ড। সাধারণভাবে পেনাল্টি টপ কর্নারে মারতে পারলে গোলকিপারের নাগাল এড়ানো যায়। তবে এদিন তা করতে পারেননি ব্রুনো।
একের পর এক সুযোগ নষ্ট
মাঠে নেমেই সুযোগ এসে গিয়েছিল এন্ড্রিকের সামনে। একা গোলকিপার নিল্যান্ডকে সামনে পেয়েও বল বাইরে মারেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। মাঠে নামার ৫২ সেকেন্ডের মধ্যে তিনি যে এই সুযোগ পেয়ে যাবেন তা নিজেও ভাবতে পারেননি এন্ড্রিক। তবে এই ধরণের ম্যাচে বিশ্বমঞ্চে শুরু থেকেই তৎপর থাকতে হয়। বিশষ করে আক্রমণভাগের ফুটবলারদের। তবে এদিন সেই কাজটা করতে পারেননি এন্ড্রিক। সুযোগ পেয়ে তা নষ্ট করেছেন ভিনিশিয়াসও।
দুই উইং ব্যবহার করতে না পারা
মূলত ভিনিশিয়াস জুনিয়রের দিক থেকেই বেশি আক্রমণ শানিয়েছে ব্রাজিল। বাঁ দিক সচল থাকলেও, ডানদিক থেকে সেভাবে ক্রস বা পাস আসেনি। ফলে নরওয়ের ডিফেন্স সেভাবে স্ট্রেচ করতে পারেনি ব্রাজিল দল। যার ফলে আক্রমণের ধার কমেছে।
নরওয়েকে বেশি জায়গা ছেড়ে দেওয়া
নিজেদের মধ্যে অবলীলায় পাস খেলে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিয়েছে নরওয়ে। সেখানে ব্রাজিল সেভাবে প্রেস করতে পারেনি। ৫০০-র উপর পাস নিজেদের মধ্যে খেলেছেন নরওয়ের ফুটবলাররা। সেখানে ব্রাজিলের পাসের সংখ্যা অর্ধেকেরও কম। মাথিয়াস কুনহারা বল ধরলেই ঘিরে ফেলছিলেন নরওয়ের ফুটবলাররা। ফলে জায়গা পেতে সমস্যা হচ্ছিল ব্রাজিল ফুটবলারদের। আবার দুই উইং সেভাবে সচল না থাকায় সমস্যা বাড়ছিল আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে। সুযোগ পেলেই আক্রমণে চলে আসছিল নরওয়ে।
দুরন্ত গোলকিপিং নিল্যান্ডের
শুধু তো পেনাল্টি সেভ করা নয়, পাশাপাশি একের পর এক দর্শনীয় সেভ করে দলকে লড়াইয়ের মধ্যে রাখেন গোলকিপার নিল্যান্ড। এবারের বিশ্বকাপে বারবার গোলকিপাররা শিরোনামে উঠে এসেছেন। আজও তার ব্যতিক্রম হল না।