Indian Football: ISL থেকে সরছে FSDL? ক্লাবগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর ফের আশঙ্কা

ভারতীয় ফুটবলে অচলাবস্থা কাটাতে ফেডারেশন এবং এফএসডিএল বৃহস্পতিবার যৌথভাবে প্রস্তাব জমা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আর সেই প্রস্তাব অনুযায়ী এটা স্পষ্ট, আপাতত দুই পক্ষের সম্পর্ক ছেদ হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কমার্শিয়াল পার্টনারের জন্য টেন্ডার ডাকবে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। স্বাভাবিকভাবেই, এফএসডিএলের এই সরে যাওয়ার ইচ্ছায় চিন্তায় পড়ে যায় আইএসএল ক্লাবগুলো।

Advertisement
ISL থেকে সরছে FSDL? ক্লাবগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর ফের আশঙ্কাISL Trophy

ভারতীয় ফুটবলে অচলাবস্থা কাটাতে ফেডারেশন এবং এফএসডিএল বৃহস্পতিবার যৌথভাবে প্রস্তাব জমা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। আর সেই প্রস্তাব অনুযায়ী এটা স্পষ্ট, আপাতত দুই পক্ষের সম্পর্ক ছেদ হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কমার্শিয়াল পার্টনারের জন্য টেন্ডার ডাকবে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। স্বাভাবিকভাবেই, এফএসডিএলের এই সরে যাওয়ার ইচ্ছায় চিন্তায় পড়ে যায় আইএসএল ক্লাবগুলো। 

কেন চাপে ক্লাবগুলো?
কারণ তাদের বেশির ভাগই এফএসডিএলকে দেখেই ভারতীয় ফুটবলে বিনিয়োগ করেছে। তাই তাদেরও জানার বিষয় ছিল, আদৌ নতুন ভাবে টেন্ডার ডাকা হলে সেখানে এফএসডিএল অংশগ্রহণ করবে কিনা। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে, দীর্ঘক্ষণ ক্লাবগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এফএসডিএল প্রতিনিধিরা। সূত্রের খবর, নতুন টেন্ডারে ফেডারেশন বিশাল কোনও দাবি না জানালে এফএসডিএল অংশগ্রহণ করবে।

বৃহস্পতিবারের যৌথ প্রস্তাবের পর সুপ্রিম কোর্ট দুই পক্ষকেই জানিয়েছে, দু'পক্ষের নতুন যদি কোনও বক্তব্য না যৌথ প্রস্তাবে আদালতের সরকারি সিলমোহরের। এখানেই উঠছে অন্য একটি প্রশ্ন। এফএসডিএল যদি আবার ভারতীয় ফুটবলে বিনিয়োগ করতে উৎসাহী হয়, তাহলে কেন 'কন্ট্রাকচুয়াল রাইট অফ ফার্স্ট নেগোসিয়েশন অ্যান্ড রাইট টু ম্যাচ' শর্ত ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিল? 

বৃহস্পতিবারের যৌথ প্রস্তাবে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটা এফএসডিএল না ছাড়লে, অন্য কোম্পানি টেন্ডারে জিতলেও সেই অর্থ দিয়ে আবার চুক্তি করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল এফএসডিএল-এর হাতে। সেই শর্ত তারা ছেড়ে দেওয়ার পরেই, 'ওপেন' টেন্ডার করার পরিস্থিতিতে রয়েছে ফেডারেশন। সূত্রের খবর, দু'পক্ষের বৈঠকে ফেডারেশনের বক্তব্য ছিল ওপেন টেন্ডার করেই এই শত ছেড়েছে এফএসডিএল। ভারতীয় ফুটবলে এখন নতুন প্রশ্ন। 

রিলায়েন্স ছাড়া ভারতীয় ফুটবলে এত টাকা ঢালার মতো কোম্পানি কি সত্যিই রয়েছে? আইএসএল ক্লাবগুলোও তাই গোটা বিষয়টি নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। তারা দেখতে চাইছে, টেন্ডারে ক'টা কোম্পানি উৎসাহী হয়। তবে শুধু টাকা নয়, দেশের সেরা ফুটবল ৪ লিগ চালানোর জন্য প্রয়োজন টেকনিক্যাল অভিজ্ঞতাও। এর মধ্যে আবার অন্য একটি প্রসঙ্গও আছে। সূত্রের খবর, 'ইন্ডিয়ান সুপার লিগ' এই নামের ট্রেডমার্ক এফএসডিএল-এর কাছে। ধরা যাক, সত্যিই একটি নতুন কোম্পানি টেন্ডার থেকে কমার্শিয়াল পার্টনার হল। তাকে এই নামের জন্য তখন দেশের এক নম্বর লিগের নাম ব্যবহার করার জন্য এফএসডিএল-এর অনুমতি প্রয়োজন। 

Advertisement

যদি তা না হয়, তাহলে নতুন কোম্পানিকে দেশের এক নম্বর লিগ অন্য নামে চালাতে হবে। যদিও ফেডারেশন কর্তারা এখনই এতদূর ভাবছেন না। তাদের বক্তব্য, আগে তারা তাকিয়ে সোমবারের সুপ্রিম কোর্টের সরকারি সিলমোহরের দিকে। অন্যদিকে, যতই ফেডারেশন প্রস্তাব দিক সুপার কাপ দিয়ে দ্রুত মরসুম শুরু হবে, সেক্ষেত্রে আইএসএল ক্লাবগুলো চাইছে এ বছরের আইএসএল নিয়ে পরিষ্কার পরিকল্পনা। কবে হবে, কারা আয়োজন করবে, তাদের আর্থিক লাভ লোকসানের বিষয়টি কী হবে। সঙ্গে অবশ্যই সুপার কাপের আগে ৬ সপ্তাহ ন্যূনতম অনুশীলন করার সময় দিতে হবে ক্লাবগুলোকে। যদি আইএসএল নিয়ে স্পষ্ট কোনও ধারণা ফেডারেশন দিতে না পারে, তাহলে অনুশীলন শুরু করতেই আর রাজি নয় আইএসএলের বেশিরভাগ ক্লাব। সেক্ষেত্রে সুপার কাপ হলেও, ক'টি প্রথম সারির ক্লাব অংশ নেবে তা নিয়েও প্রশ্ন থাকবেই। তবে ভারতীয় ফুটবল আপাতত তাকিয়ে, সোমবার সুপ্রিম কোর্টের দিকে।

POST A COMMENT
Advertisement