ইস্টবেঙ্গলনিরপেক্ষ ভেন্যুতেও দাপুটে জয়! গোয়ার মাটিতে ওড়িশা এফসিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আইএসএলের খেতাবি লড়াইয়ে আরও একটা ধাপ এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ ব্রিগেডের হয়ে জোড়া গোল করলেন ইউসেফ এজ্জেজারি, একটি গোল বিপিন সিং-এর। ম্যাচ শেষে আত্মবিশ্বাসের সুর হেড কোচ অস্কার ব্রুজোর গলায়।
টানা ৬ ম্যাচ অপরাজিত ইস্টবেঙ্গল
এই মুহুর্তে টানা ছয় ম্যাচ অপরাজিত লাল-হলুদ ব্রিগেড। এই প্রসঙ্গে অস্কার বলেন, 'জয়ের ধারাবাহিকতাই দলের আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। এখনও পর্যন্ত আমরা খুব বেশি ম্যাচ হারিনি। দল আত্মবিশ্বাসী, ভাল খেলছে এবং ক্রমশ উন্নতি করছে। প্রতিটি ম্যাচের চাহিদার সঙ্গে তারা খুব ভালভাবে মানিয়ে নিচ্ছে।' বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে এক পয়েন্ট পেলেও, ওড়িশাকে হারিয়ে অনেকটাই স্বস্তিতে ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ। তিনি বলেন, 'এই তিন পয়েন্ট আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখন প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল। আজ আমরা ভাল খেলেছি। সামগ্রিকভাবে দলের পারফরম্যান্সে আমি খুশি।'
সূচি নিয়ে ক্ষোভ
অন্যদিকে, চলতি মরসুমের সূচি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করলেন অস্কার ব্রুজো। যদিও বিতর্কএড়িয়ে গিয়ে তিনি বলেন, 'এই মরসুমটা খুবই অদ্ভুত, অনেকেই অনেক ম্যাচ নিজেদের মাঠে খেলতে পারছে না। তবে সমস্যার সমাধান করতে হলে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। আমরাও তাই করছি।'
গোল পার্থক্যে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল
চলতি মরসুমে অনেক বেশি গোল করছে ইস্টবেঙ্গল। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে থাকলেও, গোল পার্থক্যের বিচারে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল। অস্কার বলেন, 'আজ আমরা রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তি ব্যবহার করেছি। এটাই আমাদের স্কোয়াডের গভীরতা। রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তিতেই জয় এসেছে আজ। রাশিদ, ইউসেফ, জেরিদের পারফরম্যান্সে আমি খুব খুশি।'
মঙ্গলবারের ম্যাচে জয়ের ফলে ৯ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে উঠে এসেছে লাল-হলুদ ক্লাব। এফসি গোয়া ও মুম্বই সিটি এফসি দুই দলই রয়েছে ১৯ পয়েন্টে। মোহনবাগান অন্যদিকে ৯ ম্যাচ খেলে ২০ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে। মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে জিততে পারলে সবুজ-মেরুনকে ছুঁয়ে ফেলতে পারে ইস্টবেঙ্গল।
কাদের বিরুদ্ধে ম্যাচ বাকি ইস্টবেঙ্গলের?
পরের মঙ্গলবার মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে খেলবে ইয়াটবেঙ্গল। ১১ মে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচ করেছে অস্কার ব্রুজোর দলের। ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে লাল-হলুদের। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ডার্বি ম্যাচ হবে নির্ণায়ক। তার আগে সব ম্যাচ জিতে দুই দলই চাইবে দুই দলের উপর চাপ বাড়াতে।