মহম্মদ রশিদ ও আনোয়ার আলিগত ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) দলে ছিলেন না মহম্মদ রশিদ, আনোয়ার আলি (Anwar Ali)। তবুও ওড়িশা এফসি-র (Odisha FC) বিরুদ্ধে জিততে কোনও অসুবিধা হয়নি অস্কার ব্রুজোর ছেলেদের। তিন গোলে ম্যাচ জিতে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট (Mohun Bagan Super Giant), মুম্বই সিটি এফসি-র (Mumbai City FC) চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে লাল-হলুদ বাহিনী। তবে সামনে কঠিন লড়াই। পরবর্তী তিন ম্যাচ পরিস্কার করে দিতে পারে আইএসএল-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসেব।
দারুণ ছন্দে আনোয়ার
আর সেটা মাথায় রেখেই অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষ ওড়িশার বিরুদ্ধে ঝুঁকি নিতে চাননি অস্কার। সে কারণেই খেলাননি আনোয়ার আলিকে। ভারতীয় দলের এই ডিফেন্ডার প্রায় একজন ইউটিলিটি ফুটবলারের ভূমিকা পালন করছেন। প্রয়োজনে গোল করছেন, গোল করার মতো পাস বাড়াচ্ছেন। আবার ডিফেন্সে নিজের কাজটাও সঠিকভাবে করে চলেছেন অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে খেলা এই ফুটবলার। যা অস্কার ব্রুজোকে আরও স্বস্তি দিয়েছে।
পরপর তিন ম্যাচই কঠিন ইস্টবেঙ্গলের জন্য
সামনে এখন মুম্বই, পঞ্জাব, মোহনবাগান ম্যাচ। আর এই তিনটি ম্যাচই যে লিগের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে সেকথা স্বীকার করলেন ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ হেড কোচ। সূত্র মারফত খবর, মুখইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সম্পূর্ণ ফিট আনোয়ার আলি এবং মহম্মদ রাশিদ। কৌশলগত কারণে ওড়িশার বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবহার করা হয়েছিল রাশিদকে। তবে আগামী ম্যাচগুলিতে আনোয়ার এবং রাশিদকে প্রয়োজন। তাই শেষ ম্যাচে ঝুঁকি নিতে চাননি অস্কার। লাল কার্ডের জন্য মিগুয়েল এবং চোটের কারণে মহেশ ছাড়া, সকলেই ফিট লাল-হলুদ শিবিরে।
আত্মবিশ্বাসী হলেও সতর্ক অস্কার
লিগের কঠিনতম পর্যায়ে পদার্পণ করার আগে নিজের লক্ষ্যে অবিচল ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ অঙ্কার ব্রজো। মঙ্গলবার ম্যাচ শেষে অস্কার বলেন, 'এই মরসুমে দলের মানসিকতায় বদল আনতে পেরেছি। ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামলে ভাল ফল করা সম্ভব। সামনে এখন মুম্বই, পঞ্জাব, মোহনবাগানের মত দলের বিরুদ্ধে খেলতে হবে। এই ম্যাচ গুলোই খেতাব নির্ধারু করবে।' অন্যদিকে, শেখ ছয়টি ম্যাচ অপরাজিত থেকে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী লাল-হলুদ ব্রিগেড। যদিও অতিরিক্ত আত্মাবিশ্বাসী হতে চান না অস্কার ব্রজো।