মোহনবাগানঘরের মাঠে পরপর চার ম্যাচ জিতে দারুণ ছন্দে ছিল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে গিয়েই আটকে গেল সবুজ-মেরুন। স্ট্রাইকারদের একাধিক সুযোগ নষ্ট আর রেনেডি সিং-এর কৌশলের কাছে জবাব ছিল না মোহনবাগানের। বাংলার দুই দলই পয়েন্ট নষ্ট করল শনিবার। ইস্টবেঙ্গল ঘরের মাঠে ড্র করল কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে।
প্রথমার্ধের শুরুর ১৫ মিনিট বাদ দিলে গোটা ম্যাচ জুড়ে দাপট দেখাল মোহনবাগান। মাঝেমধ্যে প্রতি আক্রমণে বেঙ্গালুরু কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও বলের দখল বাগানের পায়েই বেশি ছিল। কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে শেষ কবে বেঙ্গালুরু এতটা রক্ষণাত্মক খেলেছে তা মনে পড়ছে না। কোচ রেনেডি সিংহের পরিকল্পনা দেখে মনে হল, ঘরের মাঠে ১ পয়েন্ট পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে চেয়েছিলেন তিনি।
খেলা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অবশ্য এগিয়ে যেতে পারত বেঙ্গালুরু। ভাল জায়গায় বল পেয়েছিলেন রায়ান উইলিয়ামস। তাঁর শট ভাল বাঁচান বিশাল কাইথ। তখন বাগানের মাঝমাঠ থিতু হয়নি। ১৫ মিনিটের পর থেকে অনিরুদ্ধ থাপা, আপুইয়ারা খেলার দখল নিতে শুরু করলেন। চাপ বাড়াতে শুরু করল বাগান।
চলতি আইএসএলের বাগানের ১৪ গোলের মধ্যে সাতটিই করেছেন ম্যাকলারেন। তাই তাঁকে বোতলবন্দি করার পরিকল্পনা করেছিলেন রেনেডি। অনেকটাই সফল তিনি। ফাঁকা বল খুব একটা পেলেন না জেমি। তার মাঝেই কয়েকটি বল পেয়েছিলেন। কিন্তু গোল করতে পারেননি।
নজর কাড়লেন শুভাশিস বসু। যেমন আক্রমণে সাহায্য করলেন, তেমনই রক্ষণে ভরসা দিলেন। পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর উইলিয়ামসও ভাল খেললেন। সারা ক্ষণ দৌড়ে গেলেন। বেঙ্গালুরুর যে কয়েকটি সুযোগ তৈরি হল, তা উইলিয়ামসের পায়েই। কিন্তু সুনীল সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না। তাঁর মতো স্ট্রাইকার বক্সের মধ্যে থেকে সুযোগ নষ্ট করলেন।