মোহনবাগানের ড্র, শীর্ষে ইস্টবেঙ্গলগোয়ার মাটিতে পয়েন্ট খুইয়ে পিছিয়ে পড়ল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। দুই নম্বরেই থেকে গেল মেরিনার্সরা। মোহনবাগানতে এগিয়ে গেলেও, বিশাল কাইতের ভুলেই ২ পয়েন্ট হারাতে হল সবুজ-মেরুনকে। যা এবারের আইএসএল-কে আরও আকর্ষণীয় করে তুলল।
ডাগ আউটে ছিলেন না মানেলো মার্কেজ। আপুইয়া রালতেরা শুরু থেকেই বল পায়ে রেখে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে থাকে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। তবে প্রথমার্ধে এফসি গোয়া সবুজ-মেরুনকে আটকে রাখে দারুণভাবে। প্রথম দিকেই আপুইয়ার শট বাইরে চলে যায়। তাঁর শট ক্রস বারের উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। বাঁ দিকে লড়াই চলতে থাকে রবসন রবিনহো, শুভাশিস বসুদের সঙ্গে বরিস সিংদের। কিছুক্ষেত্রে মোহনবাগান ফুটবলাররা সাফল্য পেলেও, গোলের দরজা খুলতে পারেননি।
৩১ মিনিটে একটা সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের সামনে। রবিনহো প্রান্ত বদল করে ডানদিকে চলে এসে বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন। তাঁর নেওয়া শট বাইরে চলে যায়। এরপরে আরও একবার সুযোগ এসেছিল। বরিস সিং ফাউল করেন রবিনহোকে। হলুদ কার্ডও দেখতে হয়, তবে ফ্রি কিক থেকে নেওয়া রবিনহোর শট বাইরে চলে যায়। তবে মোহনবাগান গোল পায় ৫৬ মিনিটে। সন্দেশ ঝিঙ্গনের ভুলে গোল পায় তারা। মিসপাস করেন গোয়া ডিফেন্ডার। সেই বল ধরে জেমি ম্যাকলরেন বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েন। তাঁর শট গোলে চলে যায়। এবারের আইএসএল-এ তাঁর ৯ গোল হয়ে গেল।
তবে সেই লিড ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় মোহনবাগান। ৬৬ মিনিটে সমতা ফেরায় এফসি গোয়া। বেঞ্চ থেকে উঠে আসা রনি উইলসন গোল করে ম্যাচে ফেরান। ডানদিক থেকে তাঁর 'চিপ' গোলে ঢুকে যায়। বিশাল কাইত বলের দিকে শেষ অবধি চোখ রাখতে পারেননি। উড়ে আসা বলের দিকে চোখ না রাখায়, প্রথম পোস্টে থাকা বাগান গোলকিপার সময়মতো ঝাঁপাতে পারেননি। বল জড়ায় জালে। ৭১ মিনিটে যদিও ফের সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের সামনে। কামিন্সের শট বাইরে চলে যায়। সাহাল বক্সের মধহ্যে পাস দেন অজি স্ট্রাইকারকে। তবে বলের সঙ্গে তাঁর পায়ের সংযোগ একেবারেই ভাল হয়নি। বল উড়ে যায় বারের উপর দিয়ে।
ম্যাচের শেষদিকে মনবীর সিং-এর শট সেভ হয়ে যায়। শেষদিকে দিমিত্রি পেত্রাতোসকে নামালেও, গোলের মুখ খুলতে ব্যর্থ হয় মোহনবাগান। ফলে ২ পয়েন্ট ফেলে আসতে হয় ফতোদরার নেহেরু স্টেডিয়ামে।