নৌফালের গোলঅধিকাংশ সময় বল দখলে রেখেও গোল নেই। ২২টা শট নিলেও মুম্বই সিটি এফসি-র দুর্গ ভাঙতে পারেননি জেমি ম্যাকলরেনরা। শেষ অবধি ০-১ গোলে হেরেই বসল সবুজ-মেরুন। হারাতে হল শীর্ষস্থান। ডিফেন্সের যা অবস্থা তাতে লজ্জা আরও বাড়তেই পারত। সের্জিও লোবেরাও শুরুটা ভাল করেছিলেন, তবে সাফল্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন।
প্রথমে বেঙ্গালুরু বিরুদ্ধে ড্র, আর তারপর এই হার। হোঁচট খাচ্ছে মোহনবাগান। প্রথমার্ধেই খেলার ফল ঠিক হয়ে যেতে পারত। যদি বিশাল কাইথ কিছু অসাধারণ সেভ করে দলকে খেলায় রাখতে না পারতেন। ঘরের মাঠেই, ইন্টারন্যাশানাল ব্রেকের আগে বড় ব্যবধানে হারতে হত মোহনবাগান সুপার জায়েন্টকে।
জনি কাউকো পাস দেন মোহনবাগানের ৪ ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে। সঠিক সময়ে একেবারে সঠিক পাস। গোল করে যান নৌফল। তাঁকেও আলাদা করে কৃতিত্ব দিতেই হবে। শরীর কিছুটা বেঁকিয়ে শট নেন তিনি। আর শেষপর্যন্ত দ্বিতীয় পোস্ট দিয়ে মোহনবাগানের জালে বল ঢুকিয়ে দেন। বিশাল কাইথ ঝাঁপিয়েও কিছুই করতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রবসন রবিনহোকে নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন তবে দীপক টাংড়িকে নামিয়ে বড় ভুল করে ফেলেন সের্জিও লোবেরা। ভুল বুঝে ৭৮ মিনিটে তাঁকে ফের তুলে নিয়ে নামালেন সাহাল আব্দুল সামাদকে।
দ্বিতীয়ার্ধে দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোল বাতিল হয়। আক্রমণটা যখন তৈরি হচ্ছিল, ঠিক সেইসময় অফসাইড পজ়িশনে ছিলেন পেত্রাতোস। তিনি হেড দিয়ে বলটা গোলের মধ্যে ঢুকিয়ে দেন। কিন্তু, লাইন্সম্যান অফসাইডের জন্য পতাকা তুলে দেন। গোটা স্টেডিয়াম কার্যত হতাশায় ডুবে যায়। সকলেই ভেবেছিলেন, মোহনবাগান হয়ত শেষপর্যন্ত সমতা ফেরাতে পেরেছে।
একের পর এক আক্রমণ আটকে যেতে থাকে মোহনবাগানের। জয়ের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেন জনি কাউকো। অ্যাসিস্ট তো রয়েছেই, পাশাপাশি দলের ডিফেন্সিফ শেপ বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব দুর্দান্ত। পরে নেমে বিক্রম প্রতাপ সিংও দারুণ পারফর্ম করেছেন।