Anwar Aliমিগুয়েলের লাল কার্ড। সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই নতুন করে চিন্তা ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। ওড়িশা ম্যাচের আগে কেন্দ্রবিন্দুতে এখন আনোয়ার আলির চোট। ফলে দল নির্বাচন ও রণকৌশল নির্ধারণে চাপে পড়েছেন কোচ অস্কার ব্রুজো। ধাক্কা খেয়েছে তাঁর প্রাথমিক পরিকল্পনাও।
কলকাতায় শেষ অনুশীলনের আগে ৩-৫-২ ফর্মেশনে দল সাজানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ব্রুজো। তিন ডিফেন্সে কেভিন সিবিলে, জিকশন সিং ও আনোয়ারকে রেখে এবং সামনে ইউসেফ এজ্জেজারি-অ্যান্টন সয়বার্গ জুটিকে নিয়ে আক্রমণভাগ গড়ার ভাবনা ছিল। তবে অনুশীলন চলাকালীনই মাঝপথে মাঠ ছাড়েন আনোয়ার, সম্পূর্ণ অনুশীলন শেষ করতে না পারায় তাঁর খেলা নিয়ে সংশয় রয়েছেই।
আনোয়ার খেলতে না পারলে কী হবে?
যদি আনোয়ার একান্ত না খেলতে পারেন সেক্ষেত্রে চার ডিফেন্সে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে জিকশন-সিবিলে সেন্টার-ব্যাক পজিশনে, এবং লালচুংনুঙ্গা ও মহম্মদ রাকিপ দুই প্রান্তের দায়িত্ব সামলাবেন। সূত্রের খবর, ওড়িশার বিরুদ্ধে মহম্মদ রাশিদের জায়গায় সৌভিক চক্রবর্তী শুরু দিয়ে খেলতে পারেন। মিগুয়েলের অনুপস্থিতিতে এডমুন্ডের ওপরই ভরসা রাখছে দল। সেক্ষেত্রে যদি তিন ডিফেন্সে দল সাজানো না যায়, সেক্ষেত্রে আক্রমণে কে শুরু করেন সেটাই দেখার।
এদিকে রবিবার দুপুরে পৌঁছেছে ইস্টবেঙ্গল। লাল কার্ডের জেরে দলের সঙ্গে যাননি মিগুয়েল ফিগুয়েরা। সোমবার মারগাঁওয়ের ডন বস্কো গ্রাউন্ডে শেষ অনুশীলনের পরই আনোয়ারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগেই ব্রুজো স্পষ্ট করেছিলেন, 'আনোয়ার, রাশিদ ও মিগুয়েলের শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করেই দল ও কৌশল নির্ধারণ করা হবে।'
দুই ম্যাচ জিতলেই শীর্ষে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গল
৮ ম্যাচ খেলে ১৫ পয়েন্ট পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ২ ম্যাচ জিতলে শীর্ষে যাওয়ার সুযোগও চলে আসবে। যদিও সেক্ষেত্রে মোহনবাগান সুপার জায়েন্টকে পয়েন্ট নষ্ট করতে হবে। এবারের আইএসএল এতটাই জমজমাট যে ৬ নম্বরে থাকা দল দু'টো ম্যাচ জিতলে ১ অথবা ২ নম্বরে উঠে আসতে পারে। যা এর আগে খুব বেশি দেখা যায়নি। ফলে সুযোগ রয়েছে লাল-হলুদের সামনে। তাদের সামনে সমস্যাও প্রচুর। তাই সতর্ক থাকতে হবে অস্কার ব্রুজোর দলকে।