ওড়িশা এফসিকেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যর ঘোষণা অনুযায়ী ১৪ টিমের আইএসএল করতে মরিয়া অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন। ১৩ ক্লাব খেলার ব্যাপারে সম্মতি জানালেও ওডিশা সময় চেয়েছিল। সেটা ছিল শুক্রবার সন্ধে পর্যন্ত। কিন্তু সেই সময় পেরিয়ে গেলেও পাওয়া গেল না নিশ্চয়তা।
কেন সিদ্ধান্ত জানাতে পারছে না ওড়িশা?
কিন্তু টিমের অন্যতম মালিক বিদেশে থাকায় ওড়িশার কর্তারা এআইএফএফের কাছে সোমবার বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়েছেন আইএসএল খেলা নিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর। ওড়িশা খেলবে ধরেই এআইএফএফ তাই এগোচ্ছে। আপাতত কাজ চলছে গভর্নিং কাউন্সিল গড়া নিয়ে। এটা গড়ার পরে তারাই ঠিক হবে ক্রীড়াসূচি।
জোর কদমে চলছে যুবভারতী সংস্কারের কাজ
এ দিকে, আইএসএলের ম্যাচ যুবভারতীতে করানোর ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। মেসির সফরে যুবভারতী লন্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছিল। অজস্র চেয়ার ভেঙেছিল গ্যালারির। তা পুরোপুরি সারানো সম্ভব না হলেও গ্যালারিকে খেলার সময়ে দর্শক বসার উপযুক্ত করে তোলার চেষ্টা করা হবে আগামী এক মাসের মধ্যে। ১৪ ফেব্রুয়ারি আইএসএল শুরু। তাই জোড় কদমে চলছে প্রস্তুতি। সময়ের মধ্যে মাঠ ও গ্যালারি ঠিক করে ম্যাচ করানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্য সরকারের কাছে। ১ জানুয়ারি থেকেই তাই শুরু হয়েছে সংস্কারের কাজ।
প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কলকাতার দলগুলি
কলকাতা মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডানের সঙ্গে ইন্টার কাশীরও হোম গ্রাউন্ড। মহমেডান আপাতত তাদের স্বদেশি ব্রিগেড নিয়েই প্র্যাক্টিসে নামছে। তাদের ট্রান্সফার ব্যান উঠে যাওয়ায় ফুটবলার সই করাতে আর কোনও সমস্যা নেই। ১৪ জানুয়ারি থেকে প্রস্তুতি শুরু করে দেবে তারা। তবে বিদেশিদের ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট প্রস্তুতি শুরু করেছে আগেই। সদস্য সমর্থকরাও আশায় রয়েছেন। বেশ কিছু দল ভেঙে গেলেও। কলকাতার দুই বড় দলে খয়ব বেশি বদল আসেনি। এটা স্বস্তির তাঁদের জন্য।