স্প্যানিশ আর্মাডায় বিধ্বস্ত মেসিও, মাঠেই শিশুর মতো কাঁদলেন ফুটবলের বরপুত্র, VIDEO

স্পেনের কাছে হারের পর মাঠেই কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসি। একটুর জন্য টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ছোঁয়ার স্বপ্ন রয়ে গেল অধরা।

Advertisement
স্প্যানিশ আর্মাডায় বিধ্বস্ত মেসিও, মাঠেই শিশুর মতো কাঁদলেন ফুটবলের বরপুত্র, VIDEOমাঠেই কাঁদলেন লিও, দেখুন VIDEO
হাইলাইটস
  • স্প্যানিশ আর্মাডার পাসিং ফুটবলের দাপটে স্বপ্নভঙ্গ হল লিওনেল মেসির
  • সব ভালো যার, শেষ তাঁর ভালো হল কই?
  • ম্যাচ শেষ হওয়ার বাঁশি বাজতেই মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

সব ভালো যার, শেষ তাঁর ভালো হল কই? স্প্যানিশ আর্মাডার পাসিং ফুটবলের দাপটে স্বপ্নভঙ্গ হল লিওনেল মেসির। FIFA World Cup-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হারল আর্জেন্টিনা। টানটান ম্যাচে ১-০ গোলে ম্যাচ জিতে ১৬ বছর পর ইতিহাস গড়ল স্পেন। আর অন্যদিকে, টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয় থেকে একটুর জন্যই বঞ্চিত হলেন ফুটবলের জাদুকর।

অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ শেষ হওয়ার বাঁশি বাজতেই মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এই বিশ্বকাপে একটিও ম্যাচ হারেনি আর্জেন্টিনা। কিন্তু ফাইনালে শক্তিশালী স্পেনের কাছে ঠাঁই পেল না স্কালোনি ব্রিগেড। ফলে ম্যাচ শেষ হতেই মাঠেই হাঁটু গেড়ে বসে কেঁদে ফেলেন লিওনেল মেসি। তাঁর দু চোখ ছাপিয়ে তখন জল। সতীর্থদের জড়িয়ে কাঁদতেও দেখা যায় মেসিকে।

ফুটবলের জাদুকরকে এরপরে আর আন্তর্জাতিক ম্যাচে দেখা যাবে কিনা, তাই নিয়েও রীতিমতো জল্পনা ওঠে। আর্জেন্টিনা হারের পরেও স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক "মেসি... মেসি..." শব্দ তুলে LM10-কে অভিবাদন জানান। পাশাপাশি বিশ্বকাপ থেকে মেসিকে শেষবার বিদায় জানাতে অনেকেই পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড নাড়িয়ে মেসিকে অভিবাদন করেন।

হার সত্ত্বেও রেকর্ড গড়লেন মেসি

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ধরে রাখতে পারল না ঠিকই, তবে এদিন আবারও একটি রেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি। ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি ফাইনালে খেলার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। শুধু তাই নয়, ৩৯ বছর বয়সে এসে লিও-ই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ড খেলোয়াড়।

এদিন খেলা কেমন হল?

রবিবাসরীয় ফাইনালে আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনিকে মাত দিলেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। এদিন তাঁর চালেই ভোঁতা হয়ে গিয়েছে আর্জেন্টিনার আক্রমণ ভাগ। অন্যদিকে, স্পেনের আক্রমণে বারেবারেই বিপাকে পড়ে আর্জেন্টিনা। 

যদিও এই ম্যাচে ৯০ মিনিট ছিল গোল শূন্যই। শেষে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে স্পেন ১-০ গোলে এগিয়ে যায়। পেদ্রো পোরোর ডান পায়ের চমৎকার ক্রসকে হেড করে বক্সের মাঝখানে ফিরিয়ে দেন নিকো উইলিয়ামস। আর ফেরান তোরেস সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় এসে বাঁ পা দিয়ে জোরালো শটে গোল করেন। যা নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ভবিষ্যত। ১-০ গোলে জয়ী হয় স্পেন।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement