মানোলো মার্কেজকে নিতে লড়াইয়ে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলএফসি গোয়াব (FC Goa) ও জাতীয় দলের (Indian Football Team) কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করা স্প্যানিশ কোচ মানোলো মার্কেসকে (Manolo Marquez) চাইছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। দুই ক্লাবেই ইন্টারভিউ দিয়েছেন মানোলো। লিগে রানার্স হওয়ায় সের্জিও লোবেরাকে ছাঁটাই করে দিয়েছে সবুজ-মেরুন শিবির। অন্যদিকে লিগ জিতেও, অস্কার ব্রুজোকে ধরে রাখতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।
দুই দলই দ্রুত কোচ বাছাইয়ের কাজটা সেরে ফেলতে চাইছে। কারণ, দল গঠন করার জন্য খুব বেশি সময় হাতে নেই। ডুরান্ড কাপ দিয়ে শুরু হয়ে যাবে মরসুম। এর মধ্যে নতুন ফুটবলারদের সই, অনুশীলন, ফুটবলারদের ম্যাচ ফিট করে তোলা সহ সমস্ত কাজই আটকে রয়েছে। কারণ, কোচ ঠিক না হলে, এই গোটা প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব নয়।
এ দিকে, নতুন মরসুমের আইএসএল ও আইএফএলের ক্লাবগুলোকে প্রতি ম্যাচের প্রথম একাদশে একজন করে ওসিআই (ওভারসিজ় সিটিজেনশিপ অফ ইন্ডিয়া) কোটার ফুটবলার খেলাতেই হবে। শনিবার এআইএফএফ তাদের স্পেশাল জেনারেল বডি মিটিংয়ে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল বাদে বাকি সব ক্লাবই অন্তত এই মরসুমের জন্য এই কোটা মানতে নারাজ। কারণ ওসিআই ফুটবলারদের সংখ্যা যথেষ্ট কম। ফলে তাদের দরও বিরাট। অনেক ক্লাব ম্যানেজমেন্টও এ নিয়ে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ। কারণ তাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই ফেডারেশন এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ক্লাবগুলো খুব শীঘ্রই যৌথভাবে তাদের আপত্তির কথা জানাবে ফেডারেশনকে। সঙ্গে প্রস্তাব দেবে, পরের মরসুমে ওসিআই ফুটবলারদের একটা পুল বানিয়ে ড্রাক্টের মাধ্যমে তা ক্লাবগুলোকে দেওয়ার।
বর্তমানে বিদেশে খেলা যে সমস্ত ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলার এজেন্টের মাধ্যমে আইএসএলে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাদের বার্ষিক দর হলো এ রকম: ইয়ান ধান্দা (৬ কোটি), ডিলান বাট (৫ কোটি), হরপ্রীত ঘোটরা (৪ কোটি), ডিলান মার্কেন্ডে (৩.৫ কোটি), ওমিদ সিং (২.৫ কোটি), লুসিয়ানো নরসিং (২ কোটি)।