ষষ্ঠ বিদেশিকে সই করিয়ে ফেলল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট (Mohun Bagan Super Giant)। দুই বছরের জন্য সবুজ-মেরুনে রবসন রবিনহো। ফুটবলার জীবনের অসংখ্য সাফল্য রয়েছে ব্রাজিলের ক্লাব ফুটবলে। কয়েক মাস আগেই সাও পাওলো লিগে খেলেছেন নেইমার দ্য সিলভার বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন ক্লাব বসুন্ধরা কিংসের হয়ে খেলে গত তিন বছরে সাতটা ট্রফি জিতেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্যও চমকে দেওয়ার মতো।
৯৭ টা ম্যাচ খেলে করেছেন ৬৪টি গোল। সতীর্থকে গোল করার বল সাজিয়ে দিয়েছেন ৪৯টি। সেই সফলতম ফরোয়ার্ড রবসন আজেভেদো দ্য সিলভা এবার খেলবেন সবুজ মেরুন জার্সিতে। রবসন রবিনহো নামে যাঁর দক্ষিণ এশিয়ায় পরিচিতি। গোলমেশিন হিসাব পরিচিত সেই রবসনের সঙ্গে চুক্তি হল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। দলের ষষ্ঠ বিদেশি হিসাবে সোমবার সকালে শহরে এসে পড়ছেন তিরিশ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। তারপর নেমে পড়বেন এ সি এল টু-র প্রস্ততিতে। গোলমেশিন ও দুর্দান্ত প্লে মেকার রবসন যোগ দেওয়ায় হোসে মোলিনার দলের আক্রমণভাগের শক্তি আরও বাড়বে। কারণ রবসন দুই উইং-এ খেলতে যেমন দক্ষ, তেমনই নম্বর-টেন পজিসনে খেলেও সাফল্য পেয়েছেন।
মোহনবাগানের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা না থাকলেও, সবুজ-মেরুনের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে রবসনের। ভারতের এই ক্লাবের ঐতিহ্য সম্পর্কে ভালভাবেই জানেন রবসন। সই করে তিনি বলেন, 'এর আগে বসুন্ধরার হয়ে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা আমার আছে। তখন থেকেই জানি মোহনবাগান ভারতের সেরা ও সফলতম ক্লাব। ওই ম্যাচে আমি কীরকম খেলেছিলাম তা সবুজ-মেরুন সমর্থকরা নিশ্চয়ই মনে আছে। এবার সেই সবুজ মেরুন জার্সি পরেই আমি সেরকমই সাফল্য পাব আশা করছি। অপেক্ষা করুন।'
গোল করতে ও করাতে দারুণ ভালবাসেন রবসন। বলেন, 'আমি গোল করতে ভালোবাসি, গোল করাতেও। কিন্তু সবার উপরে দলকে ভলোবাসি। তাই আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য যদি জানতে চান তা হলে বলব, দলকে আরও সাফল্য দেওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে। তার বেশি যদি ক্লাব আরও কিছু সম্মান পায় তবে সেটাই হবে আমার লক্ষ্য পূরণ।'