Mohun Bagan Super Giant: মুম্বই ম্যাচে মোহনবাগানের সমর্থনে ইস্টবেঙ্গল! হঠাৎ কী হল?

মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচে নেই তারকা স্ট্রাইকার। ১ মার্চ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে নামছে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে নেই জেসন কামিন্স। আবার এই ম্যাচে নিজেদের প্লে অফে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখতে মোহনবাগানকেই সমর্থন করবেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

Advertisement
মুম্বই ম্যাচে মোহনবাগানের সমর্থনে ইস্টবেঙ্গল! হঠাৎ কী হল?মোহনবাগান দল ও ইস্টবেঙ্গল সমর্থক
হাইলাইটস
  • এবার মোহনবাগানের সামনে মুম্বই
  • মুম্বইকে মোহনবাগান হারালে ইস্টবেঙ্গলের সুবিধা

শিল্ড জয়ের সেলিব্রেশন এখন অতীত। সামনে গতবারের অধরা আইএসএল ট্রফি জেতাই লক্ষ্য মোহনবাগান সুপার জায়েন্টের। সেই কারণেই লিগ পর্বের বাকি দুই ম্যাচেও জয়ের ধারা অব্যহত রাখতে মরিয়া সবুজ-মেরুন। তবে মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচে নেই তারকা স্ট্রাইকার। ১ মার্চ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে নামছে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে নেই জেসন কামিন্স। আবার এই ম্যাচে নিজেদের প্লে অফে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখতে মোহনবাগানকেই সমর্থন করবেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা।

চোট রয়েছে কামিন্সের?
চোটের কারণে নয়, চারটে হলুদ কার্ড দেখায় এই ম্যাচে নেই কামিন্স। সেমিফাইনালের আগে সব কার্ড ও চোট সমস্যা কাটিয়ে গোটা দলকে ফিট রাখতে মরিয়া হোসে মলিনারা। পাশাপাশি সতর্ক থাকবেন অধিনায়ক শুভাশিস বোস এবং জেমি ম্যাকলারেন । কারণ তাদের ঝুলিতে অলরেডি তিনটি হলুদ কার্ড চলে গেছে। আর একটি হলে পরের ম্যাচে ঘরের মাঠে গোয়ার বিরুদ্ধে থাকতে পারবেন না তারা। অন্যদিকে অনিশ্চিত ডিফেন্ডার টম আলড্রেডও। ওড়িশা ম্যাচে চোট পান তিনি। পায়ে জমাট বেঁধেছে রক্ত। সেক্ষেত্রে তার পরিবর্ত হিসাবে স্টপারে দীপ্যেন্দুকে খেলানো জেতে পারে।

ইস্টবেঙ্গলের সমর্থন থাকবে মোহনবাগান ফুটবলারদের প্রতি

ক্রেটকির দলের বিরুদ্ধে তাদের পূর্ব পরিসংখ্যান খুব ভালো নয়। এই মরসুমে প্রথম পর্বে ২-২ ড্র করে মোহনবাগান। এছাড়া মোট ১১ বার সাক্ষাতে মাত্র একবার মোহনবাগান। সাতটি হার ছাড়াও তিনটি ম্যাচ ড্র। এই ম্যাচে মোহনবাগান জিতলে, লাভ হবে ইস্টবেঙ্গলের। প্লে অফের লড়াইয়ে সেক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে মুম্বই। আর সেই কারণেই পিটার ক্রেটকির কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব অপরিসীম। ২১ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিতে তারা এখন ছয় নম্বরে রয়েছে। হার মানেই সুপার সিক্সে অনিশ্চিত। তাই মুম্বই-মোহনবাগান ম্যাচের দিকে নজর থাকবে আপামর ফুটবলপ্রেমীর।    

তবে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের একাংশের মতে, মোহনবাগান ইচ্ছে করে এই ম্যাচ হেরে যেতে পারে। তবে মোহনবাগানের প্র্যাকটিস বা হোসে মলিনার শরীরী ভাষা দেখে উল্টোটাই মনে হচ্ছে। এই ম্যাচ শুধু নয়, মরসুমের বাকি সমস্ত ম্যাচ জিততে মরিয়া সবুজ-মেরুন। তাই বলাই যায়, লিগ শিল্ড জিতে একেবারেই আত্মতুষ্ট হতে নারাজ সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।  

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement