কলকাতা মেট্রো ও মোহনবাগান ক্লাববিশ্বকাপে মজে গোটা বিশ্ব। রাত জেগে লিওনেল মেসিদের খেলা দেখছে বাঙালিও। তবে এর মধ্যেই ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক গড়তে চলেছে মোহনবাগান। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, দেশের প্রথম ফুটবল ক্লাব হিসেবে মোহনবাগানের নামে একটি মেট্রো স্টেশনের নামকরণ হতে পারে। সম্প্রতি ক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতি দেবাশিস দত্ত সদস্যদের এই সম্ভাবনার কথা জানান।
জানা গিয়েছে, ক্লাবের নিকটবর্তী মেট্রো স্টেশনের নাম 'মোহনবাগান মেট্রো স্টেশন' করার একটি প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই জোরকদমে কদমে কাজ শুরু হয়েছে। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগে রাজ্য সরকার সবুজ সংকেত দিয়েছে। প্রস্তাবটি এখন মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
রেল বোর্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই কলকাতা মেট্রোর মানচিত্রে চিরস্থায়ী জায়গা করে নেবে শতাব্দীপ্রাচীন এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব। ভারতীয় ফুটবলে এমন নজির এই প্রথম। স্বাভাবিকভাবেই এই খবরে চরম উন্মাদনায় ভাসছেন আপামর সবুজ-মেরুন সমর্থকরা।সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল।
কলকাতা লিগে ছন্দে মোহনবাগান
কলকাতা লিগে দারুণ শুরু করেছে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে মামনি গ্রূপ পাঠচক্রকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে সবুজ-মেরুন শিবির। ইস্টবেঙ্গল থেকে মোহনবাগানে সই করে দারুণ ছন্দে সায়ন বন্দোপাধ্যায়। এবারের লিগে নামার আগে বেশ কিছুদিন প্রস্তুতির সময় পেয়েছেন ঘরোয়া লিগে (CFL 2026) মোহনবাগানের দায়িত্বে থাকা কোচ বাস্তব রায়। চলতি মরসুমে ঘরোয়া লিগকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে মোহন বাগান। পরিকল্পনামাফিক দল গড়েছে ম্যানেজমেন্ট। সিনিয়র দল থেকে ম্যাচ টাইম দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে সুহেল, কিয়ান, দীপেন্দুদের।
এই দলের প্রধান অস্ত্র আক্রমণ। খিদিরপুরের বিরুদ্ধে তা নিক্ষেপ করেই শুরুতে গোল তুলে নিতে মরিয়া মোহন বাগান। অন্যদিকে, চলতি মরশুমে খিদিরপুরের দায়িত্ব নিয়েছেন মেহতাব হোসেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে প্রথম ম্যাচে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করেছে খিদিরপুর। হাতে পুঁজি এক পয়েন্ট। কোচ মেহতাবের মন্তব্য, ‘বড়ো দলের বিরুদ্ধে ভালো খেললে পরিচিতি পাওয়া যায়। সেই চেষ্টাই করবে ফুটবলাররা।’