Santosh Trophy 2026: সন্তোষ ট্রফিতে থমকে গেল বাংলা, পিছিয়ে পড়েও ড্র তামিলনড়ুর বিরুদ্ধে

তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকে ড্র করল বাংলা। গ্ৰুপ এ-এর ম্যাচে নন্ধাকুমারের গোলে এগিয়ে যায় তালিমনাড়ু। পরে সমতা ফেরান সুজিত সাধু। প্রথমার্ধে ম্যাচে কোনও গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দল গোল করে। বাংলা গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে আগামী শুক্রবার অসমের বিরুদ্ধে।

Advertisement
সন্তোষ ট্রফিতে থমকে গেল বাংলা, পিছিয়ে পড়েও ড্র তামিলনড়ুর বিরুদ্ধে বাংলা দল

তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকে ড্র করল বাংলা। গ্ৰুপ এ-এর ম্যাচে নন্ধাকুমারের গোলে এগিয়ে যায় তালিমনাড়ু। পরে সমতা ফেরান সুজিত সাধু। প্রথমার্ধে ম্যাচে কোনও গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দল গোল করে। বাংলা গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে আগামী শুক্রবার অসমের বিরুদ্ধে।

বিরতির পরে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিল। তবে  শুরুতেই এগিয়ে যায় তামিলনাড়ু।  নন্দাকুমার দূরপাল্লার শটে গোল করে যান। পিছিয়ে পড়ে বেশ কিছুটা চাপে পড়েছিল বাংলা। কিন্তু পাল্টা আক্রমনে প্রতিপক্ষকে ব্যাকফুটে ঠেলার চেষ্টা করে। 

তার ফলও পায় হাতেনাতে।এবং নায়ক নরহরি শ্রেষ্ঠা। গত তিনটে ম্যাচে বাংলার সাফল্যে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করলেন।  ৮০ মিনিটে  নরহরি শ্রেষ্ঠার পাস থেকে সুজিত সাঁধু সমতায় ফেরান বাংলাকে। শেষ তিন ম্যাচেএকটি গোল  দুটো গোলের বল  সাজালেন নরহরি।  ৮৮ মিনিটে ফের সুযোগ পেয়েছিল বাংলা। নরহরির ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তা না হলে বাংলা জয়ের ধারাবাহিকতা রেখে মাঠ ছাড়তে পারত। তিন  মিনিটে প্রতিআক্রমনে সুযোগ পেয়েছিল তামিলনাড়ুর। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্রয়ে শেষ হয় ম্যাচ।

রাজস্থানের বিরুদ্ধেও শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন সায়ন বন্দোপাধ্যায়। তবে এবার বাংলার মান বাঁচালেন সুজিত। শেষ মুহূর্তে তাঁর পা থেকে আসা গোলে অপরাজিত থাকতে পারল বাংলা। ম্যাচের পর তাই এই সন্তোষ ট্রফির প্রতিদ্বন্দিতা নিয়ে মুখ খুলেছেন সঞ্জয় সেন। তিনি মনে করেন সন্তোষ ট্রফি জেতাও বেশ চাপের। বলেন, 'মাঠে কী ধরণের প্রতিদ্বন্দিতা হয় সেটা ভাবা যায় না বাড়িতে বসে। যারা সম্মুখীন হয় তারা বলতে পারে। তবে এটা ভাল হচ্ছে আমাদের পক্ষে। গোল খেয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারি কিনা। চারিত্রিক বৈশিষ্ট বলে ফুটবলে একটা কথা আছে সেটা দেখাতে পারি কিনা।' 

বাংলাকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। বারবার আক্রমণ করেছে তামিলনাড়ু। দল পরের রাউন্ডে উঠে যাওয়ায়, প্রথম একাদশে অনেক বদল দেখতে পাওয়া গিয়েছে। সঞ্জয় সেন এ ব্যাপারে বলেন, 'আমি চাই ২২ জনকেই সুযোগ দিতে। কাকে কখন লাগে? গতবছরের ফাইনাল দেখো।' যারা সেভাবে এখনও খেলতে পারেননি তাদের জন্যও মঞ্চ তৈরি করে দিচ্ছেন সঞ্জয়। বলেন, 'যারা সেভাবে খেলতে পারেনি তাদের কাছেও তো তাগিদ থাকবে ভাল কিছু করার। সামনের ম্যাচেও আমরা এটাই চেষ্টা করবো।'

Advertisement

এই ড্রয়ের ফলে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রইল বাংলা। ৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে তামিলনাড়ু। ৩০ জানুয়ারি গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলার সামনে অসম।

POST A COMMENT
Advertisement