ইস্টবেঙ্গলইস্টবেঙ্গলের কোচ হিসেবে অস্কার ব্রুজো আর থাকছেন না তা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে শনিবার রাতে। স্প্যানিশ কোচ নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান এ কথা। এরপরেই জল্পনা শুরু হয়। মরসুম শুরু হতে খুব বেশি সময় বাকি নেই। উঠে আসে অনেক নাম। দৌড়ে এগিয়ে আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। চর্চায় রয়েছে মানোলো মার্কুয়েজের নামও। দু’জনেই লাল-হলুদের দায়িত্ব নিতে বিশেষ আগ্রহী।
ভারতীয় ফুটবলে অন্যতম সফল কোচ হাবাস
হাবাস মোহনবাগানের কোচিং করিয়েছেন। আইএসএলের অন্যতম সফল কোচ তিনি। তাঁর কোচিংয়েই আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আইএসএলে পা রাখে ইন্টার কাশী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে চাইছেন লাল-হলুদ কর্তারা। এরপর নতুন কোচের পরামর্শ মেনেই বিদেশি ফুটবলার নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই পঞ্জাব এফসি’র বিদেশি মিডিও দানি রামিরেজকে সই করিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। থেকে যাচ্ছেন মহম্মদ রশিদ ও প্রভসুকান সিং গিল। বাকি বিদেশি কারা হবেন সেটা নতুন কোচ ঠিক করবেন।
আইএসএলে নতুন নিয়ম
আইএসএলে প্রথম একাদশে ৩ বিদেশি খেলানোর পাশাপাশি একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলারের নিয়ম চালু করতে আগ্রহী সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। এর আগে প্রতি দলে ৪ জন বিদেশিকে মাঠে নামানোর নিয়ম চালু ছিল। তবে নতুন ভাবনায় বেশ কিছু ক্লাব আপত্তি জানিয়েছে। ইতিমধ্যেই ৫ বিদেশি চূড়ান্ত মোহনবাগানে। প্রথম একাদশে একজন ভারতীয় স্ট্রাইকার খেলানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। জাতীয় দলে স্ট্রাইকারের অভাব পূরণই লক্ষ্য। কিন্তু ৯০ মিনিট তাদের মাঠে রাখার বিষয়ে স্পষ্টতই বিরক্ত বেশিরভাগ ক্লাব। তাদের দাবিও অযৌক্তিক নয়। এই মুহূর্তে ভালো মানের ভারতীয় স্ট্রাইকারের অভাব প্রকট। তার উপর অনেকেই দলগঠন শুরু করে দিয়েছে। তাই এত দেরিতে ফেডারশনের প্রস্তাব আনা একেবারেই যুক্তিহীন। বরং সময় নিয়ে এই নিয়ম চালু করা উচিত। পাশাপাশি ফেডারেশনের নাম বদলে ফুটবল ফেডারেশন অব ভারত চালু করতে চায় এআইএফএফ। জাতীয় ক্রীড়া নীতি ফেডারেশনের সংবিধানে লাগু করা হচ্ছে। নিয়ম মেনে প্রতিটি রাজ্য সংস্থাকে নির্বাচন সেরে ফেলতে হবে।