নেইমারবিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে ১১ জুন থেকে (ভারতীয় সময় অনুসারে ১২ জুন)। তবে ব্রাজিল শিবিরের সবথেকে বড় চিন্তা ছিল সুপারস্টার নেইমারের ফিটনেস। তাঁকে বিশ্বকাপের দলে রাখা হলেও, তিনি সম্পূর্ণ ফিট নন বলে জানা গিয়েছিল। তবে ব্রাজিলের সংবাদপত্র ও গ্লোবোর দাবি, ৬ই জুন আমেরিকায় মিশরের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে খেলবেন।
বাদ পড়তে পারেন নেইমার
এই ম্যাচে তিনি যদি খেলতে না পারেন, তা হলে চূড়ান্ত দল থেকে বাদ পড়তে পারেন নেইমার। তাঁর ডান পায়ের কাফ মাসলের আঘাত কতটা গুরুতর তা বোঝা যাবে সেই দিনই। বুধবার তেরেসোপলিসের একটি ক্লিনিকে তাঁর চিকিৎসা চলছে। তেরেসোপলিসে প্রথম দিনে, সান্তোসের এই খেলোয়াড় জিমে কেবল হালকা শারীরিক কসরত সারেন। ১৭ তারিখে চোট পাওয়া নেইমার গত কয়েকদিন ধরে এই রুটিনটিই অনুসরণ করে আসছেন। রবিবার পানামার বিরুদ্ধে ম্যাচেও তিনি নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগেই।
বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছিলেন নেইমার
নেইমার দীর্ঘদিন ধরেই চোটের কারণে জাতীয় দলে জায়গা পাচ্ছেন না। তবে ক্লাব ফুটবলে তাঁর পারফরম্যান্স ও অভিজ্ঞতার কথা বিচার করে নেইমারকে দলে নেওয়া হয়। যদিও, এরপরেই ফের চোটের কবলে পড়েন তারকা স্ট্রাইকার। ফলে ফের তাঁর বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ সমস্যার মুখে পড়ে। যদিও নেইমার আশাবাদী, চোট কাটিয়ে ফেরার ব্যাপারে।
মরক্কোর বিরুদ্ধে নামতে পারবেন নেইমার?
১৩ তারিখে মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য তাকে সময়মতো ফিট করে তোলার একটি পরিকল্পনা করছে ব্রাজিল শিবির। যদিও সূত্রের খবর, পায়ের মাংসপেশির এই চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে প্রাথমিকভাবে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগবে, যার ফলে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তো বটেই, প্রাথমিক পর্বে তাঁর দলে থাকা নিয়েও সংশয় রয়েছে। এ কারণেই ৬ তারিখে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচটি এত গুরুত্বপূর্ণ, যদিও তা মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য।
কী জানালেন ভিনিশিয়াস?
নেইমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুলেছেন তাঁর সতীর্থ ভিনিশিয়াস জুনিয়র। তিনি বলেন, 'নেইমার আমাদের আদর্শ। শুরু থেকেই আমি ওর ভক্ত। সবসময় ও আমাকে সাহায্য করেছে। ওর ফুটবলজীবনের সূচনা থেকেই আমি ওকে অনুসরণ করছি। ওর সাফল্যে আমি খুশিই হই। এত চোট, এত যন্ত্রণার পরও জাতীয় দলে ও ফিরে এসেছে। আর এই দুর্দান্ত দলের সঙ্গে বিশ্বজয়ী হওয়ার একটা শেষ সুযোগ ও পাচ্ছে।'