২০২৬ বিশ্বকাপে গোল করার ক্ষেত্রে লিভারপুলের খেলোয়াড়দের আধিপত্য; অন্য দলগুলো কারা?এতদিন বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) ছিল ৩২ দলের লড়াই। তবে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৮। স্বাভাবিক ভাবেই গোলের সংখ্যা যে বাড়বে তা জানাই গিয়েছিল। তবে সংখ্যাটা যে নক আউট পর্বের আগেই ডাবল সেঞ্চুরি পেরিয়ে যাবে সে আশা বোধহয় কেউই করেননি। অতীতের সব বিশ্বকাপকে অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে।
২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬৪ ম্যাচে গোল হয়েছিল ১৭২ টি। এবার সেখানে গ্রুপ লিগের ৭২ ম্যাচেই ২১৩ গোল হয়ে গেছে। ম্যাচ প্রতি গোলের গড় তিনের সামান্য কম। বাকি ৩২ ম্যাচে ৮৭ গোল দরকার গোলের ট্রিপল সেঞ্চুরিতে পৌঁছোবার জন্য। আর ৯৯ গোল হলে গোল সংখ্যা দাঁড়াবে ৩১২ এবং ম্যাচ প্রতি গোলের গড় ঠিক তিন। আমরা চাইছি, বাকি ৩২ ম্যাচে অন্তত ১০০ গোল হোক ।
১৯৮৬ সালে শেষবার একটি বিশ্বকাপে চারটি হ্যাটট্রিক হয়েছিল। দীর্ঘ ৪০ বছরের ব্যবধানে এবারের হ্যাটট্রিক সংখ্যা দুই থেকে অন্তত তিন হয়েছে। যত ম্যাচ বাকি , তাতে আশা করা হয় , হ্যাটট্রিকের সংখ্যা আরও বাড়বে। ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা ছাড়া গ্রুপ লিগে সব ম্যাচ জিতে আর মাত্র একটা দেশ নক আউট পর্বে প্রবেশ করেছে - অন্যতম আয়োজক - মেক্সিকো।
গ্রুপ পর্বে সর্বোচ্চ ১০ গোল করেছে তিনটি দেশ - ফ্রান্স , নেদারল্যান্ডস ও জার্মানি। তবে ফ্রান্স ২ গোল খেলেও নেদারল্যান্ডস ও জার্মানি ৪ টি করে গোল হজম করেছে। সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে সবার আগে রয়েছে মেসি - ৩ ম্যাচে ৬ গোল ; এমবাপে ( ফ্রান্স ) , হালান্ড ( নরওয়ে ) এবং ভিনিসিয়াস জুনিয়র ( ব্রাজিল ) - ৪ গোল মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের দেশ হিসাবে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক সন্দেহাতীত ভাবে কেপ ভার্দে। স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরব - তিনটি দেশের সঙ্গেই ড্র করে মর্যাদার সঙ্গে এবার তারা নক আউট পর্বে পৌঁছেছে। এর চেয়ে বড় চমক আর কি হতে পারে?
পরিসংখ্যান- হরিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়