scorecardresearch
 
 

ইস্টবেঙ্গল ইস্যুতে দিলীপ! 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভরসা করে আজ এই দুর্দশা'

ইস্টবেঙ্গলে জারি হওয়া বিক্ষোভ-অচলাবস্থা নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন ভিডিও বার্তায় তিনি নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে চুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। 

দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ।
হাইলাইটস
  • ইস্টবেঙ্গল ইস্যুতে দিলীপ
  • 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভরসা করে আজ এই দুর্দশা'
  • তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

ইস্টবেঙ্গলে জারি হওয়া বিক্ষোভ-অচলাবস্থা নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন ভিডিও বার্তায় তিনি নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে চুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। 

এদিন  দিলীপ ঘোষ বলেন, 'ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের নিজেদের মধ্যে মারামারি করতে দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেলো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর ভরসা করে আজ তাদের এই দুর্দশা। আইএসএলে তিনি ক্লাবকে নিয়ে যাবে বলে কথা দিয়েছিলেন। একটি কোম্পানির সঙ্গে তিনি ক্লাব সই করতে বাধ্য করেছিলেন। হয়তো তখন নির্বাচন ছিল, তাই নবান্নে নিয়ে গিয়ে চুক্তি করিয়েছিলেন। মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায় কোটি কোটি মানুষের ভাবাবেগ নিয়ে খেলা করেছেন।'

বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, 'আজ ক্লাব অন্ধকার গলিতে পৌঁছে গিয়েছে। কাল কী হবে, কেউ জানে না। ক্লাব কি আদৌ আইএসএল খেলতে পারবে? এই চুক্তি এখন যদি ক্লাব সই করলে সেটা একটি কোম্পানি হয়ে যাবে। ক্লাবের সমর্থক ও সদস্যরা কেউ ক্লাবে ঢুকতে পারবেন না।  এবং সেক্রেটারিও ক্লাবে নামমাত্র বসতে পারবেন। ক্লাবের লোগোও ব্যবহার করতে গেলে কোম্পানির কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। আমি জানি না এর পিছনে কী রহস্য আছে। শ্রী সিমেন্টের কাটমানির খেলা কী এটা? ক্লাব নিয়ে আমারা এতো আবেগে ভাসি। মানুষের আবেগ নিয়ে খেলার অধিকার কে দিয়েছে?'

প্রসঙ্গত, এদিন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বিক্ষোভের জেরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি হয় লালহদুল তাঁবুতে। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশকে লাঠি চালাতে হয়। এখন কাটেনি অচলাবস্থা। এদিন বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি নিজের একমাসের বেতন লালহলুদকে দিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। মদন বলেন,  "আমি কিছু শুনতে চাই না। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে বিক্রি করতে দেওয়া যাবে না। এই দাবিতে  আমি সমর্থকদের সঙ্গে একমত। আমি তাদের জানাচ্ছি, প্রয়োজন হলে আমি সমর্থকদের পাশে এসে দাঁড়াব। বহিরাগতদের বাংলায় থাকতে দেব না। বহিরাগত বলতে প্লেনে করে যারা এসেছিল, তাদের কথা বলছি। আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান এবং মহামেডান আমাদের অঙ্গ। আমরা লড়াই করব। কিন্তু ক্লাবকে বিক্রি হতে দেব না। আমি বিধায়ক হিসাবে ঘোষণা করছি, যে আমি একমাসের বেতন ইস্টবেঙ্গলকে দিয়ে দেব। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের এই অবস্থানকে আমি পুরো সমর্থন করছি। ক্লাব বিক্রি করা যাবে না। কোনও কোম্পানির নামে থাকবে না। আমাদের পশ্চিমবঙ্গের ক্লাব গুজরাতের  কোম্পানি কিনে নেবে তা হয় নাকি?"