scorecardresearch
 

Emami East Bengal: ডার্বি হারের পর বড় ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের

ডার্বি হারের পর ফের ধাক্কা খেল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। চোটের জেরে প্রায় কয়েক মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে জর্ডন এলসেকে। ডুরান্ড কাপের ফাইনালে দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলে লাল-হলুদকে হারিয়ে দিয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট।

Advertisement
কলকাতা ডার্বি। কলকাতা ডার্বি।

ডার্বি হারের পর ফের ধাক্কা খেল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। চোটের জেরে প্রায় কয়েক মাসের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে জর্ডন এলসেকে। ডুরান্ড কাপের ফাইনালে দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলে লাল-হলুদকে হারিয়ে দিয়েছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট।


ডার্বি ম্যাচেই চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়েছিল জর্ডন এলসেকে। ৩৩ মিনিটেই পরিবর্তন করতে হয় তাঁকে। এলসের জায়গায় নামানো হয় পারদোকে। হাঁটুর চোটের কারণে কয়েক মাসের জন্য ছিটকে গেলেন এই তারকা ফুটবলার। ফলে পরিবর্ত ফুটবলার খুঁজতে হবে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘ডার্বি ম্যাচে হাঁটুর চোটের জন্য কয়েকমাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে জর্ডন এলসেকে। আমরা ওর পাশে রয়েছি। আশা করব ও দ্রুত সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরবে।‘ ডার্বিতে হারের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে পড়ল ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের।
 
রবিবারের ডার্বিতে ১০ জনের মোহনবাগানের বিরুদ্ধে দিমিত্রি পেত্রাতোসের করা ৭১ মিনিটের গোলে জয় পায় জুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। দিমিত্রি পেত্রাতোসের সোলো রান নিয়ে শট চলে যায় গোলের মধ্যে। তবে প্রশ্ন উঠেছে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্স নিয়ে। প্রায় পাঁচজন ডিফেন্ডার থাকা সত্ত্বেও কেউ এগিয়ে এলেন না? গত মরশুমে সবচেয়ে বেশি গোল করা পেত্রাতোসের সামনে? ৭১ মিনিটে ১-০ গোলে এগোয় মোহনবাগান। তার আগে অবধি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারছিল না কোনও দলই। ইস্টবেঙ্গল ক্লেইটন সিলভাকে নামালেও, কিছু সহজ সুযোগ মিস করেছেন।


ম্যাচের আগেরদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কার্লেস কুয়াদ্রাত জানিয়েছিলেন, ‘ক্লেইটন পরে আসায়, ও পুরোপুরি ফিট হওয়ার সুযোগ পায়নি।‘ ম্যাচ শেষ হওয়ার পর, অনিরুদ্ধ থাপার লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যাওয়াকেই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট বলছেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। ৬১ মিনিটে অনিরুদ্ধ থাপা লাল কার্ড দেখেছিলেন।  ম্যাচের একমাত্র গোল দ্রিমিত্রি পেত্রাতোস করলেন ৭২ মিনিটে। বাকি সময় ইস্টবেঙ্গল মরিয়া হলেও সবুজ মেরুন রক্ষন ভাঙতে পারেনি। ইস্টবেঙ্গল কোচ কুয়াদ্রাত বলছেন,’এগারো জনের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে খেলছিলাম তা বদলে গেল।  প্রতিপক্ষ প্রতিআক্রমন নির্ভর ফুটবল খেলতে শুরু করে। গোলের সময় আমরা ঠিকভাবে সামলাতে পারেনি। ব্যক্তিগত নৈপুন্যের সামনে আমাদের ভুল ম্যাচ হারিয়ে দিল।‘ গোল শোধে মরিয়া লাল হলুদ হেডস্যার পরিবর্ত ফুটবলার নামিয়ে অবস্থা সামাল দিতে পারেননি।  
 

আরও পড়ুন

Advertisement

Advertisement