LPG Crisis: ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান সহ ময়দানের ক্যান্টিনগুলি বন্ধ হয়ে যাবে? রান্নার গ্যাস নিয়ে চিন্তা বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধের জেরে গোটা দেশজুড়েই এলপিজি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে বিভিন্ন জায়গায় রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকান সবই বড় সমস্যার মুখে। কলকাতা ময়দানেও এসে পড়েছে মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধের আঁচ। একে একে বন্ধ হতে বসেছে কলকাতা ময়দানের ক্যান্টিনগুলো। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও সিএবি ক্যান্টিনে তালা পড়ার মতো পরিস্থিতি।

Advertisement
ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান সহ ময়দানের ক্যান্টিনগুলি বন্ধ হয়ে যাবে? রান্নার গ্যাস নিয়ে চিন্তা বাড়ছেমোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ক্যান্টিন

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধের জেরে গোটা দেশজুড়েই এলপিজি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে বিভিন্ন জায়গায় রেস্তোরাঁ, ছোট খাবারের দোকান সবই বড় সমস্যার মুখে। কলকাতা ময়দানেও এসে পড়েছে মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধের আঁচ। একে একে বন্ধ হতে বসেছে কলকাতা ময়দানের ক্যান্টিনগুলো। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও সিএবি ক্যান্টিনে তালা পড়ার মতো পরিস্থিতি।

bangla.aajtak.in-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল মোহনবাগান ক্যান্টিনের কর্ণধার পলাশ কুমার মুখোপাধ্যায়, ইস্টবেঙ্গল ক্যান্টিনের কর্ণধার তমাল মিত্র ও সিএবি ক্যান্টিনের মালিক শক্তি রায়ের সঙ্গে। তিন ক্ষেত্রেই অবস্থা মোটামুটি একই। প্রতিদিন ময়দানে যে প্রচুর সংখ্যক খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, কোচ, ফিটনেস ট্রেনার, মালি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এই সমস্ত ক্যান্টিনে নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করেন। জ্বালানির অভাবে অবস্থা এমন, যে কোনও ব্যবস্থা না হলে দুই তিন দিনের মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে এই ক্যান্টিনগুলো। ফলে সমস্যায় পড়তে হবে এখানে খেতে আসা মানুষদের। 

ক্যান্টিন বন্ধ হয়ে গেলে এই কর্মীদেরও কাজ থাকবে না। মোহনবাগান ক্যান্টিনের মালিক পলাশ কুমার মুখোপাধ্যায় (কাজু) বলেন, 'আমাদের কাছে যা জ্বালানি আছে তা দিয়ে কিছুদিন চালাতে পারব। আমাদের যারা গ্যাস দেন তারা প্রায় দ্বিগুণ দাম চাইছে। ১৪০০ টাকা দিয়ে যে গ্যাস আগে কিনতে হত, সেই গ্যাসের দাম পৌঁছে গিয়েছে ২৮০০ টাকায়। এরপরে তা আরও বাড়বে। এভাবে চললে বন্ধ করতে বাধ্য হব। ৬০০০ টাকা দিয়ে গ্যাস কিনে তো আমরা পারব না। এখন লাভ দেখার ব্যাপার নেই। যারা নিয়মিত খান তাদের কথা ভাবতে হবে।'

ইস্টবেঙ্গল ক্যান্টিনের তমাল মিত্র বলেন, 'অবস্থা খুব খারাপ সিলিন্ডারের দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে কী হবে আমরা জানি না। হাতে মাত্র একটা গ্যাস আছে। দুই দিন পরে গ্যাস আসার কথা। শেষ যে গ্যাস কিনেছি তা পেতে ২৪০০ টাকা দিতে হয়েছে। এরপর যে গ্যাসটা আসবে তার দাম হবে ২৮০০।' পাশাপাশি গ্যাসের কালোবাজারির অভিযোগও করেছেন তিনি। বলেন, 'কালোবাজারি চলছে। কে বা কারা করছে জানি না। তবে বেশি দাম দিয়ে তো কিনতে হচ্ছে।' এভাবে চলতে থাকলে আর চারদিনের বেশি ক্যান্টিন চালানো যাবে না।   

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement