
স্টিফেন ও থোরলাহুর সিগার্সনইস্টবেঙ্গলে স্টিফেন কনস্ট্যানটাইনের (Stephen Constantine) ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। সুপার কাপের (Super Cup) আগেই ছাঁটাই হয়ে যেতে পারেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। এমনটাই এমনটাই খবর ক্লাব সূত্রে। তবে তার আগেই চাকরি গেল কনস্ট্যানটাইনের সহযোগী থোরলাহুর সিগার্সনের। স্টিফেনের সঙ্গে ৩১ মার্চ অবধি চুক্তি থাকলেও তার আগেই ব্রিটিশ কোচকে বাড়ি পাঠিয়ে দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল।
আইএসএল-এ টানা ব্যর্থতা, দলের ফুটবলারদের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে কর্তা ও সমর্থকদের রোষের মুখে পড়তে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল কোচকে। সহকারী কোচ সিগার্সন লিঙ্কডইনে লেখেন, 'কলকাতায় কোচিংয়ের দারুণ অভিজ্ঞতা হল। এবার এই শহরকে বিদায় জানানোর পালা। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ হিসেবে ব্যক্তিগত এবং পেশাদারি জীবনে অনন্য অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি দারুণভাবে সম্মানিত এবং কৃতজ্ঞ।'
আরও পড়ুন: ওড়িশার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে বল পায়ে মোহনবাগানের বিদেশি, কে ?
তিনি আরও বলেন, 'মাঠ এবং মাঠের বাইরে সমর্থকদের সঙ্গে দারুণ অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি দল ছাড়ছি। আশা করি এই মরশুমের অভিজ্ঞতাকে পাথেয় করে নতুন মরশুমে এগিয়ে যাব। আগামী মরশুমে সেরা ছয়ে থাকবে ইস্টবেঙ্গল।'

একের পর এক ম্যাচে হারতে থাকা ইস্টবেঙ্গলের কোচ হিসেবে পরের মরশুমেও কোচ হিসেবে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি নেই স্টিফেনের। এই বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হতে পারে ব্রিটিশ কোচকে। ক্লাব কর্তারাও দলের এমন খেলায় হতাশ।
আরও পড়ুন: এই সপ্তাহেই স্টিফেনের বিদায় আসন্ন? বড় সিদ্ধান্ত
শোনা যাচ্ছে, কিছু ফুটবলারও খুশি নন স্টিফেনের কাজে। তাঁরাও নাকি জানিয়ে দিয়েছেন, স্টিফেন থাকলে পরের মরশুমে অন্য ক্লাবে চলে যাবেন তাঁরা। এই মরশুমে প্রচুর গোল করেছেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। বিশেষ করে ক্লেইটন সিলভা ও নাওরেম মহেশ সিংরা। যদিও সেই গোল ধরে রাখতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। ডুরান্ড কাপের সময় দল যে তৈরী ছিল না তা মানছেন সকলেই। কিন্তু ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (Indian Super League) গোল দিয়েও তা ডিফেন্ড করার অক্ষমতা ভাবাচ্ছে কর্তাদের।