ঋদ্ধিমান সাহারঞ্জি ট্রফিতে বাংলা দলে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আইপিএল-এ ভাল খেলার পর বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হতে চলা কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলার জার্সি গায়ে চাপিয়ে কেমন খেলেন ঋদ্ধিমান, তা দেখতে চেয়েছিলেন অনেকেই। যদিও সূত্রের খবর এমনটা হচ্ছে না। রঞ্জি ট্রফি দল থেকে এর আগেও যেভাবে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন, এবারেও ঠিক সেই পথেই হাঁটলেন বাংলার উইকেট কিপার ব্যাটার। সূত্রের দাবি, সোমবার দল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই সিএবি সচিব অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন ঋদ্ধি। গতকাল কথা না হলেও মঙ্গলবার ফোনে কথা হয় দুই জনের। ঋদ্ধি নাকি, মৌখিক ভাবে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট চেয়েছেন অভিষেকের কাছে। যদিও সরকারী ভাবে কিছুই জানায়নি বাংলার ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা। অভিষেক ডালমিয়া, রদ্ধিমানের সঙ্গে কথা বলার কথা স্বীকার করে নিলেও, মঙ্গলবার রাতে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছেন, ''আমার সঙ্গে ঋদ্ধিমানের ব্যক্তিগত কথা হয়েছে। এ বিষয় এর বেশী কিছু বোলার নেই।''
রঞ্জির প্রথমিক পর্বে পারিবারিক কারণে বাংলা দলের হয়ে খেলতে নামেননি ঋদ্ধি। আর সেই সময়ই ভারতের হয়ে ৪০টি টেস্ট খেলে ফেলা তারকা ক্রিকেটারের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিএবি-র এক কর্তা। আর তাতেই ক্ষুব্ধ ঋদ্ধিমান। তবে সূত্রের খবর, এর মধ্যে আর থাকতে চাইছেন না ঋদ্ধিমান।
বাংলা ছাড়লে কোথায় খেলবেন ঋদ্ধি
সিএবি থেকে ছাড়পত্র চাওয়ার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, বাংলার হয়ে না খেললে কোন রাজ্য দলের হয়ে খেলবেন উইকেট কিপার ব্যাটার? সূত্রের দাবি, তিনি আর কোনও রাজ্য দলেই যোগ দেবেন না। তবে ঋদ্ধিমান গোটা ঘটনায় কিছু না জানানোয়, পরিষ্কার করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: মাঠ ছেড়ে এবার বলিউডের ছবিতে 'গব্বর', কোন ভূমিকায় শিখর?
দারুণ ছন্দে ঋদ্ধি ও তাঁর দল
১০ দলের আইপিএল-এ দারুণ ছন্দে রয়েছেন ঋদ্ধিমান। ৩টি হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন তিনি। তাঁর দলও ইতিমধ্যেই প্লে অফের জন্য কোয়ালিফাই করে ফেলেছে।