scorecardresearch
 

Ratan Tata Shared Nano Beginning Story: দরজা-জানলা ছাড়াই Nano তৈরি হচ্ছিল, অজানা গল্প শেয়ার করলেন Ratan Tata

Tata Nano Beginning Story: তৈরি করতে গিয়েছিলেন আম জনতার জন্য সুরক্ষিত স্কুটার। প্রথমে দরজা-জানালা ছাড়াই তৈরি হতে যাচ্ছিল Nano। তারপর কীভাবে শেষ চেহারায় আসে টাটা ন্যানো, রতন টাটা শেয়ার করলেন মজার কাহিনী...

টাটা ন্যানোর আজব কাহিনী শেয়ার করলেন Ratan Tata টাটা ন্যানোর আজব কাহিনী শেয়ার করলেন Ratan Tata
হাইলাইটস
  • দরজা-জানালা ছাড়াই তৈরি হতে যাচ্ছিল Nano
  • রতন টাটা শেয়ার করলেন কাহিনী
  • বানাতে গেছিলেন স্কুটার

Ratan Tata Shared History Of Tata Nano: সম্প্রতি রতন টাটা একটি ইলেকট্রিক টাটা ন্যানো গিফটে পেয়েছেন। এখন টাটা ন্যানো একবার ফের চর্চাতে রয়েছে। তার কারণ হলো এটি বানানোর জন্য পুরো গল্প নিজের ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট শেয়ার করে দিয়েছেন টাটা গ্রুপের (Tata) চেয়ারম্যান রতন টাটা (Chairman Ratan Tata)। ন্যানো লঞ্চ এর সময় একটা ছবি শেয়ার করেছেন। সঙ্গে একটি সুন্দর পোস্ট লিখেন।

ন্যানো (Nano)র পিছনে কী ছিল আইডিয়া?

রতন টাটা নিজের পোস্টে লিখেছিলেন যে আমি লাগাতার ভারতীয় পরিবারদের স্কুটারে (Scooter) সফর করতে দেখেছি। যেখানে তারা একটি বাচ্চা, মা বাবাকে স্যান্ডউইচের মতো বসে থাকতে দেখেছি। বহুবার সরু এবং পিচ্ছিল রাস্তায় এভাবেই তারা যাতায়াত করেন। সেখানে তাদেরকে একটু স্বাচ্ছন্দ দিতে চেয়েছিলাম। স্কুটারের খরচেই যাতে তাঁরা এটি পান। এই কারণেই টাটা ন্যানোর সূচনা। টাটা ন্যানো বানানোর কথা চিন্তা করা হয়ে এই বিষয়টি থেকেই মোটিভেট হয়ে।

বানানোর পরিকল্পনা ছিল সুরক্ষিত টু-হুইলার

তিনি আরও লিখেছেন যে স্কুল অফ আর্কিটেকচার(School of Architecture) এর পড়ার ফায়দা হয়েছে। আমি নতুন ধরনের ডিজাইনের উপর কাজ করতে শুরু করি। শুরুতে আইডিয়া ছিলো যে two-wheeler কে সুরক্ষিত বানানো হবে। এর জন্য একটি ডিজাইন তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু আসলে সেটি তৈরি হল ফোর হুইলার (Four Wheeler)। কিন্তু তার মধ্যে কোন দরজা (Door) ছিল না এবং কোন জানালা (Window) ও ছিল না। কিন্তু শেষমেশ আমরা ঠিক করি যে এটি একটি গাড়ি (Car)ই হবে। ন্যানো গাড়ি সবসময় আমাদের সাধারণ মানুষের জন্য বানানো হয়েছিল।

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Ratan Tata (@ratantata)

আম জনতার গাড়ি ২০০৮ এ শুরু হয়

২০০৮ সালে টাটা ন্যানো সাধারণ মানুষের, (Mass People), আম জনতা(Common People)-র গাড়ি হিসেবে এসেছিল। বিখ্যাত টাটা কোম্পানি ১০ জানুয়ারি ২০০৮ এ লঞ্চ করা হয়েছিল। এটি ওই সময়ের কথা যখন বিএস৩ স্ট্যান্ডার্ডের হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছিল। প্রথম ৬২৪ সিসির ২ সিলিন্ডার ওয়ালা পেট্রোল ইঞ্জিন এবং কোম্পানি এই কোম্পানিটির দাম ছিল ১ লাখ টাকা(One Lac Rupees)।

২০১৯ এ বন্ধ হয়ে যায় ন্যানো

টাটা ন্যানোর শেষ ইউনিট ২০১৯ এ তৈরি হয়েছিল। এটি রতন টাটার ড্রিম প্রজেক্ট (Dream Project) ছিল। কিন্তু নিজের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি। গাড়িটি তৈরি হওয়া এবং খারাপ হয়ে যাওয়ার যাত্রাতে বেশ কিছু বাধা আসে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুরে (Singur) তৈরি হতে যাওয়া ফ্যাক্টরি গুজরাতে সরিয়ে নিয়ে আসতে হয়। বারবার গাড়িতে (Catch Fire) আগুন লেগে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে থাকে লাগাতার। শুধু তাই নয় একাধিক বিশেষজ্ঞের দাবি, ন্যানোর ব্যর্থতাই সাইরাস মিস্ত্রি (Syrus Mistry) বিদায়ের কারণ ছিল।