Advertisement
ইউটিলিটি

How To Become Crorepati By SIP: মাসে ১০ হাজার টাকা জমিয়েই হওয়া যায় কোটিপতি, জেনে নিন দ্রুত ১ কোটির ফান্ড তৈরির ফর্মুলা

SIP ১
  • 1/7

কথায় বলে, বিন্দু বিন্দু জলেই সিন্ধু তৈরি হয়। বর্তমান বাজারে দাঁড়িয়ে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন অনেকেই দেখেন, কিন্তু সঠিক পরিকল্পনার অভাবে তা আর বাস্তবায়িত হয় না। তবে আপনি যদি আজ থেকেই নিয়ম মেনে মিউচুয়াল ফান্ডে একটি এসআইপি (SIP) বা সিস্টেম্যাটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান শুরু করতে পারেন, তাহলে কোটিপতি হওয়া কিন্তু আর অলীক কল্পনা নয়। মাত্র ১০,০০০ টাকার মাসিক এসআইপি-র হাত ধরেই আপনি অনায়াসে তৈরি করে ফেলতে পারেন ১ কোটি টাকার বিশাল এক ফান্ড। তবে এর জন্য আপনাকে মানতে হবে একটি সহজ আর্থিক ফর্মুলা ‘স্টেপ-আপ এসআইপি’।

SIP ২
  • 2/7

আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উপায়ে কোটিপতি হতে গেলে আপনাকে শুরুটা করতে হবে প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা দিয়ে। তবে এখানেই শেষ নয়, প্রতি বছর নিজের উপার্জনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই এসআইপি-র রাশিতে ১০% হারে বাড়াতে বা ‘টপ-আপ’ করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রথম বছর যদি আপনার মাসিক এসআইপি ১০,০০০ টাকা হয়, তবে দ্বিতীয় বছরে তা ১০% বাড়িয়ে করতে হবে ১১,০০০ টাকা। একইভাবে তৃতীয় বছরে আপনার মাসিক জমার পরিমাণ দাঁড়াবে ১২,১০০ টাকা। প্রতি বছর এইভাবে ১০% হারে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়িয়ে যাওয়ার অভ্যাসটাই দীর্ঘমেয়াদে আপনার ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে।

SIP ৩
  • 3/7

ধরা যাক, এই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে আপনি গড়ে বার্ষিক ২০% হারে রিটার্ন পাচ্ছেন। এই অনুমান অনুযায়ী, মাত্র ১৩ থেকে ১৪ বছরের মধ্যেই আপনার ঝুলিতে চলে আসবে ১ কোটি টাকার রাজকীয় ফান্ড! হিসাব কষে দেখলে বোঝা যাবে, প্রথম ৫ বছর পর আপনার মাসিক বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ১৪,৬০০ টাকা এবং আপনার মোট ফান্ডের অঙ্ক ছুঁয়ে ফেলবে প্রায় ১৪ লক্ষ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা।

Advertisement
SIP ৪
  • 4/7

ঠিক একইভাবে ১০ বছর পার হওয়ার পর আপনার মাসিক এসআইপি-র পরিমাণ গিয়ে পৌঁছাবে প্রায় ২৩,৫00 টাকায়। তখন ম্যাজিকের মতো আপনার মোট জমানো ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৪৫ লক্ষ থেকে ৫৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। আর ঠিক ১৪ বছর পূর্ণ হতেই আপনার মাসিক জমার পরিমাণ যখন প্রায় ৩৮,০০০ টাকা ছোঁবে, তখন আপনার মোট সংগৃহীত ফান্ডের পরিমাণ পৌঁছে যাবে ম্যাজিক ফিগার অর্থাৎ এক্কেবারে ১ কোটি টাকায়।

SIP ৫
  • 5/7

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, এই ১৪ বছরে ১ কোটি টাকার ফান্ড তৈরি করতে আপনার পকেট থেকে মোট বিনিয়োগ কিন্তু করতে হবে মাত্র ৩৮ লক্ষ থেকে ৪২ লক্ষ টাকা। তাহলে বাকি বিপুল অঙ্কের টাকা কোথা থেকে আসবে? এখানেই কাজ করবে ফিন্যান্সের আসল ব্রহ্মাস্ত্র ‘কম্পাউন্ডিং’ বা চক্রবৃদ্ধি সুদের ক্ষমতা। ওই আনুমানিক ২০% রিটার্ন এবং কম্পাউন্ডিংয়ের যুগলবন্দিতেই আপনার জমানো পুঁজি একধাক্কায় কোটির ঘরে পৌঁছে যাবে। অতীতেও বেশ কিছু নামী ইকুইটি মিউচুয়াল ফান্ড দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ মানুষের ১০,০০০ টাকার এসআইপি-কে কোটি কোটিতে বদলে দিয়েছে।

SIP ৬
  • 6/7

তবে কোটিপতি হওয়ার এই সহজ মন্ত্রের পাশাপাশি কিছু জরুরি সাবধানতাও মাথায় রাখা দরকার। শেয়ার বাজার বা ইকুইটি মিউচুয়াল ফান্ডে রিটার্নের কিন্তু কোনও বাঁধা-ধরা গ্যারান্টি থাকে না। এই ২০% রিটার্নের হিসাবটি সম্পূর্ণ একটি অনুমান মাত্র। বাজারের ওঠানামার ওপর ভিত্তি করে আপনার আসল রিটার্ন কম বা বেশি হতেই পারে। কারণ মিউচুয়াল ফান্ড বিনিয়োগ সর্বদা বাজারগত ঝুঁকির অধীন। তাই যে কোনও ফান্ডে পা রাখার আগে একজন প্রত্যয়িত আর্থিক উপদেষ্টার (Financial Advisor) পরামর্শ নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

 

SIP ৭
  • 7/7

কিন্তু এই ফান্ডের মূল বার্তাটি অত্যন্ত পরিষ্কার, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিনিয়োগ শুরু করুন, নিয়মিত শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা বজায় রেখে এসআইপি চালিয়ে যান এবং প্রতি বছর বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে থাকুন। দীর্ঘ সময় ধরে বাজারে টিকে থাকলেই কম্পাউন্ডিংয়ের আসল সুবিধা ভোগ করা সম্ভব। তাই আর দেরি না করে আজই নিন সঠিক সিদ্ধান্ত, আর নিজের কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নের দিকে বাড়ান প্রথম পদক্ষেপ।

Advertisement