Advertisement
ইউটিলিটি

Smoking in Trains: স্টেশন চত্বরে বিড়ি-সিগারেট ধরালেও কড়া শাস্তি, জেল হয়?

Smoking in Trains
  • 1/7

ভারতীয় রেল দেশে ঘোরার সবচেয়ে সহজ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের মাধ্যম। লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন এটি ব্যবহার করে। কিন্তু কখনও কখনও ট্রেনে কিছু খারাপ অভিজ্ঞতা হয়। 
 

সিগারেট ধূমপান বা মদ্যপান করতে দেখা যায়
  • 2/7

উদাহরণস্বরূপ, কখনও কখনও যাত্রীদের সিগারেট ধূমপান বা মদ্যপান করতে দেখা যায়, যা অন্যান্য যাত্রীদের অসুবিধার কারণ হয়। ট্রেনের টয়লেটে অনেকেই বিড়ি বা সিগারেট খায়। কখনও কখনও ট্রেনের বগির দরজাতেও মানুষ ধূমপান করে, যা অন্যান্য যাত্রীদের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। কিন্তু ট্রেনে বিড়ি বা সিগারেট খাওয়ার নিয়ম কি জানেন?
 

ট্রেনের কোচে ধূমপান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ
  • 3/7

রেলওয়ে আইনের ১৬৭ ধারা অনুযায়ী ট্রেনের কোচে ধূমপান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এর মধ্যে সিগারেট, বিড়ি বা অন্য কোনও ধূমপানজাত দ্রব্য অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, ট্রেনের ভিতরে দেশলাই জ্বালানো বা কোনও দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। 
 

Advertisement
শাস্তিযোগ্য অপরাধ
  • 4/7

রেলওয়ে অফিস বা স্টেশন প্রাঙ্গণে এটি করাও একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং ধরা পড়লে মামলা হতে পারে। বর্তমানে, ভারতীয় রেলে ধূমপানের জন্য কোনও নির্দিষ্ট স্থান নেই। ট্রেনে ধূমপান কেবল সহযাত্রীদের অসুবিধার কারণ হয় না, আগুন লাগার ঝুঁকিও বাড়ায়। ধূমপান থেকে বেরনো ধোঁয়া শিশু, বয়স্ক এবং হাঁপানি রোগীদের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
 

জরিমানা হতে পারে
  • 5/7

শুধু ট্রেনই নয়, রেলস্টেশন চত্বর, শৌচালয়েও সিগারেট-বিড়ি খেতে দেখা গেলে জরিমানা হতে পারে।
 

রেলওয়ে আইনের অধীনে জরিমানা করা যেতে পারে
  • 6/7

ট্রেনে ধূমপান করতে ধরা পড়লে, রেলওয়ে আইনের অধীনে জরিমানা করা যেতে পারে। জরিমানা ১০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। উল্লেখ্য, জরিমানার পরিমাণ বাড়ানোর কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।
 

টিকিট কালেক্টরের কাছে অভিযোগ করতে পারেন
  • 7/7

ট্রেনে যদি কাউকে বিড়ি বা সিগারেট খেতে দেখেন, তাহলে ট্রেনের ক্যাপ্টেন বা টিকিট কালেক্টরের কাছে অভিযোগ করতে পারেন। রেলওয়ে হেল্পলাইন নম্বর ১৩৯-এও অভিযোগ করতে পারেন।
 

Advertisement