scorecardresearch
 

১২০ টি গাছ লাগিয়ে হয়ে যান কোটিপতি, কোনও লগ্নি সংস্থা দেবে না

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন মেহগনি গাছের চাষ করলে আপনি সত্যি সত্যিই কোটিপতি হতে পারেন। তাও মাত্র ১২০টি গাছ চাষ করেই। কীভাবে, কতদিনে হবেন কোটিপতি, জেনে নিন...

মেহগনি গাছে কোটি টাকার সম্পত্তি মেহগনি গাছে কোটি টাকার সম্পত্তি
হাইলাইটস
  • ১২০ টি মেহগনি গাছে হতে পারেন কোটিপতি
  • সময় লাগবে ১২ বছর
  • সামান্য পরিচর্যা আপনাকে নিতে পারে ওই টাকায়

ভারতে কৃষকেরা বেশিরভাগ চাষাবাদের জন্য বংশ পরম্পরায় চলে আসা পদ্ধতি এবং ফসল বেছে নেন। ধান, গম, পাট, আখ,  বিভিন্ন দানা শস্য থেকে শুরু করে ডাল কিংবা শাকসবজি, ফল চাষের দিকে ঝোঁকেন তাঁরা। এমন নয় যে এগুলো চাষ করলে কোন লাভ হয় না। নিশ্চয়ই লাভ হয়। কিন্তু যে পরিমাণ চাষ করলে এগুলো লাভ হবে, সে পরিমাণ জমিও সবার থাকে না। একরের পর একর চাষ করার পর ক্ষুন্নিবৃত্তি জন্য কিছু আয় নিশ্চয়ই হয়, তবে কোনও কোনও বছর সবজিতে পোকা লাগা বা বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে অনেককে সর্বস্বান্ত হতে হয়।

মেহগনি আপনাকে করতে পারে কোটিপতি

কিন্তু কিছু কিছু চাষ রয়েছে যা করলে যে কোনও কৃষক কয়েক বছরের মধ্যে কোটিপতি হয়ে যেতে পারেন। আর একটু যত্ন করলে ক্ষতির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। কষ্টকল্পনা নয় একেবারে সত্যি ঘটনা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন মেহগনি গাছের চাষ করলে আপনি সত্যি সত্যিই কোটিপতি হতে পারেন।

কীভাবে হবেন কোটিপতি?

কৃষকদের জন্য মেহগনির চাষ প্রচুর মুনাফা এনে দিতে পারে। মেহগনির ১২০টি গাছ যদি আপনি আপনার জমিতে লাগাতে পারেন, তাহলে ১২ বছরের মধ্যে আপনাকে কোটি টাকা রিটার্ন দেবে। আপনার কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করে দিতে পারে। যা কোনও ব্যবসা বা চাকরি করতে পারবে না। যা শুধুমাত্র আকাশকুসুম কল্পনা থেকে যাবে অন্য় চাষিদের ক্ষেত্রে। 

এই চাষ করলে আপনি সত্যি সত্যি হতে পারেন কোটিপতি

মেহগনির গাছকে সদাবাহার গাছ বলে মনে করা হয়। ২০০ ফিট উঁচু পর্যন্ত বাড়ে। গাছের কাঠ লাল এবং ধূসর রংয়ের হয় এবং জলে কোনও সময় নষ্ট হয় না।

মেহগনি গাছ কীভাবে চাষ করবেন?

যা এমন জায়গায় লাগাতে হবে, যেখানে খুব জোরে হওয়ার ভয় কম থাকে। ভারতে পাহাড়ি জায়গা ছেড়ে যে কোনও জায়গায় তা চাষ করা যেতে পারে। এমন ভূমি দরকার যেখানে প্রাকৃতিক উর্বর মাটি, ভালো জল নিকাশি ব্যবস্থা থাকে, সেই রকম মাটি এখানে একদম ভালো।

মেহগনি গাছের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

অত্যন্ত মূল্যবান একটি গাছ। একটি পরিপূর্ণ ভাবে তৈরি হতে ১২ বছর সময় লাগে। এটি অত্যন্ত মজবুত এবং একটি কাঠ উপহার দেয়। এমনকী জল পড়লেও মেহগনি কাঠে কোনরকম ঘুণ ধরাতে পারে না। এ কারণে এর ব্যবহার জাহাজ, গয়না, ফার্নিচার, প্লাইউড, সাজসজ্জা এবং মূর্তি তৈরির জন্য বানানো হয়। এর সঙ্গেই এই গাছের পাতা থেকে ক্যান্সার, রক্তচাপ, অ্যাস্থমা, সর্দি এবং ডায়াবেটিসের মতো বিভিন্ন রোগ এর বিরুদ্ধে প্রতিষেধকমূলক উপচার তৈরি করা হয়। মেহগিনির গাছের পাতা একটি বিশেষ ধরনের রাসায়নিক বহন করে যাতে, এই গাছের কাছে মশা এবং পোকামাকড় আসে না। এ কারণে এর পাতা এবং বীজের তেল ব্যবহার করে মশা মারার কীটনাশক তৈরি করা হয়। এই তেলের ব্যবহার পেইন্ট, বার্নিশ এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

মেহগনির চাষে কামাই

মেহগিনির একটি গাছ ১২ বছরে কাঠ এবং অন্যান্য সামগ্রী দিতে পারে। ৫ বছরে একবার বীজ দেয়। এই বীজের দাম প্রচুর এবং এটি হাজার টাকা প্রতি কিলোগ্রাম বিক্রি হয়। ফলে বীজ বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া পাতা থেকে বছর পর থেকেই বিক্রি করতে পারেন। বীজের সঙ্গে ছাল ও  অন্যান্য় জিনিস বিক্রি করা যায়। ১২ বূছর পর ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা প্রতি কিউবিক ফিট হিসেবে সহজেই বিক্রি করা যায়। একটি ঔষধি গাছ। সে কারণে এর বীজ এবং ফুল উপযুক্ত ওষুধ তৈরি করার জন্য নেওয়া হয়। এর মধ্যে চাষে কোটি টাকা মুনাফা কামাতে পারেন চাষিরা।

 
; ; ;